advertisement
আপনি দেখছেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তত্ত্বাবধানে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর ফলে দুই পক্ষের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে। আমিরাতের এমন পদক্ষেপের মাধ্যমে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে। তাদের পিঠে ছুরি মেরেছে দেশটি- এমন মন্তব্য করছেন ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মুখপাত্র ফাউজি বারহুম।

hamas leader fauji marhoumহামাসের মুখপাত্র ফাউজি বারহুম

তিনি বলেন, চুক্তিতে শুধু ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষা হবে। ফিলিস্তিনের বিন্দুমাত্র লাভ হবে না। শান্তি চুক্তির নামে সংযুক্ত আরব আমিরাত ফিলিস্তিনিদের পিঠে ছুরি বসিয়েছে।

হামাসের আরেক মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, চুক্তিতে ফিলিস্তিনের স্বার্থ রক্ষা হবে না। তেল আবিবের সঙ্গে আমিরাতের এই চুক্তি দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসবাদকেই সমর্থন করে। এটি ফিলিস্তিনের সঙ্গে বেইমানি।

usa uae israelআল নাহিয়ান, ডোনাল্ড ট্রাম্প (মাঝে) ও নেতানিয়াহু

হামাসের নেতাদের পাশাপাশি ফিলিস্তিনের ইসলামি জিহাদ আন্দোলনও আমিরাত ও ইসরায়েলের চুক্তি নিয়ে সমালোচনা করেছে। সংগঠনটি বলছে, এই চুক্তির ফলে নেতানিয়াহু বেঁচে গেলেন। তিনি ক্ষমতায় টিকে থাকার একটি যোগান হাতে পেলেন। দুঃখজনক যে, আমিরাত ইসরায়েলের কাছে নতি স্বীকার করলো। এই ঘটনায় তেল আবিবের বিরুদ্ধে আরো জোরদার আন্দোলন হবে।

এর আগে গতকাল আমিরাত ও ইসরায়েলের চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে এক টুইটে ট্রাম্প বলেন, আবু ধাবি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ আল নাহিয়ান ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, ঐতিহাসিক এই চুক্তির কারণে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। এর মাধ্যমে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি পরিকল্পনা স্থগিত হলো।

ট্রাম্পের টুইটের পর ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এক টুইটে তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ঐতিহাসিক দিন।

sheikh mujib 2020