advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের উৎপত্তি চীনে। সেখানে তাণ্ডব চালানোর পর ভাইরাসটি ইতালি ও স্পেনে দিয়েছে ভয়াল থাবা। শুরুর দিকে এই দেশ তিনটিতে সংক্রমণ খুব বেশি থাকলে এখন তালিকায় বেশ নীচে অবস্থান করছে। চীনে তো মুতের সংখ্যা শূন্যের কোটায়। গত ২৪ ঘণ্টায় ইতালি ও স্পেনে মারা গেছে যথাক্রমে ৬ ও ২৬ জন।

pandemic symbolic picture2করোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তালিকায় সংক্রমণের দিক দিয়ে বর্তমানে স্পেনের অবস্থান ১০ম। ইতালি ১৭তম ও চীন ৩২তম। অথচ বছরের প্রথম তিন মাস এই ৩টি দেশই ছিলো ভাইরাস সংক্রমণের হটস্পট।

মৃত্যু সংখ্যার দিক দিয়েও দেশ তিনটি শীর্ষস্থান থেকে নেমে তালিকার নীচে অবস্থান করছে। সেখানে দেখা যায়, ইতালি আছে ৬ষ্ঠ অবস্থানে। স্পেন ৮ম ও চীন ২৭তম।

ইতালিতে মোট সংক্রমণের সংখ্যা ২ লাখ ৫২ হাজার ২৩৫। মারা গেছে ৩৫ হাজার ২৩১ জন। তবে বর্তমানে দেশটিতে সংক্রমণ অনেক কমে এসেছে। সেখানকার সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।।

অন্যদিকে স্পেনে সংক্রমণের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৮৫৬। মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৬০৫ জনের। ইতালির মতো স্পেনেও সংক্রমণ কমে আসায় মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে। খুলে দেয়া হয়েছে সীমান্ত। যদিও সম্প্রতি বেশ কিছু এলাকায় ফের সংক্রমণ দেখা দেয়ায় কর্তৃপক্ষের কপালে চিন্তার ভাজ দেখা দিয়েছে।

করোনাভাইরাসের উৎপত্তি চীনে হলেও দেশটির সরকার সংক্রমণকে মারাত্মক আকার ধারণ করতে দেয়নি। এপ্রিলের দিকে সেখানে গণসংক্রমণ বন্ধ হয়ে যায়। একসময়ের মৃত্যুকূপ চীনে এখন স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে। তবে কিছু এলাকায় এখনও সংক্রমণের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৫৪ হাজার ৭৮৬ জন। মারা গেছে ৪ হাজার ৬৩৪ জন।

এই তিন দেশকে হটিয়ে ওয়ার্ল্ডোমিটারের তালিকায় এখন শীর্ষ অবস্থানে বিরাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও ভারত। যুক্তরাষ্ট্রে সংক্রমণ ছাড়িয়েছে ৫০ লাখ, ব্রাজিলে ৩০ লাখ ও ভারতে ২০ লাখ।

বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার ২৪ ঘণ্টা সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ২৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ব্রাজিলে এই সংখ্যা ১ হাজার ৩০১ এবং ভারতে ১ হাজার ৬ জন। অর্থাৎ এই তিন দেশেই প্রাণ হরিয়েছে তিন হাজার পাঁচশত ৯১ জন।

এছাড়া এই সময়ে মেক্সিকোতে ৭৩৭ জন, কলম্বিয়ায় ৩০৮ জন, পেরুতে ২৭৭ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ২৬০ জন, ইরানে ১৭৪ জন, আর্জেন্টিনায় ১৪৯ জন, রাশিয়ায় ১২৪ জন মারা  গেছেন।

sheikh mujib 2020