advertisement
আপনি দেখছেন

বৃটিশ ইন্ডিয়ার গর্ভ থেকে দুটি দেশ বেরুলো ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট। বলা যায়, দেশ দুটির জন্ম (আলাদা হওয়া) সম্পূর্ণভাবে ধর্মের কারণে। পাকিস্তান রাখঢাক না করে দেশকে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র’ ঘোষণা করলো। তবে ভারত ঘোষণা করলো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’। কিন্তু দেশের আনুষ্ঠানিক নামকরণের সময় ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ নেতারা ধর্মের আশ্রয় নিলেন ভালোভাবেই। হিন্দু মিথোলজির শকুন্তলার ছেলে ভরতের নামানুসারে দেশের নাম হলো ‘ভারত’।

india flagভারতের পতাকা

কীভাবে ভারত নামটি আসলো- এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নানা রকম ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইতিহাসবিদ-গবেষকরা। তবে উপরোক্ত ব্যাখ্যাতেই একমত হয়েছেন অধিকাংশ গবেষক। 

ভারতের সংবিধান রচনাকারীদের প্রধান দলিত নেতা ড. আম্বেদকার প্রস্তাব করলেন, দেশটির সাংবিধানিক নাম হবে ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব ইন্ডিয়া’। কিন্তু এমন প্রস্তাবে বাধ সাধলেন বল্লবভাই প্যাটেলসহ আরো অনেকে। নেহরু-গান্ধীর অনুসারী ধর্মনিরপেক্ষ নেতারাও ছিলেন ড. আম্বেদকার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে। এভাবেই ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের পথ অনুসরণ করে দেশটির নামকরণ করা হলো ‘ভারত’। ভারতবর্ষের ‘বর্ষ’ ফেলে দেওয়া হলো।

disapointted modiনরেন্দ্র দমোদার দাস মোদী

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ভারতের শাসনভার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ কংগ্রেসের হাতে থাকলেও ধর্মের প্রভাব থেকে দেশটি কখনোই পুরোপুরি বেরুতে পারেনি। ধর্মনিরপেক্ষতার যেটুকু খোলস ঝুলে ছিল, সেটুকু থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল নরেন্দ্র দমোদার দাস মোদী সরকারের হাত ধরে। সারা বিশ্ব যখন করোনাভাইরাসকে সামাল দিতে টালমাটাল, তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজি উদ্বোধন করছেন রাম মন্দির!

sheikh mujib 2020