advertisement
আপনি দেখছেন

যুক্তরাষ্ট্রের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ভ্যাকসিন গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সিরাম ইনস্টিটিউট ইন্ডিয়া (এসআইআই)। সম্প্রতি একটি গুঞ্জন উঠে যে, তারা ৭৩ দিনের মধ্যেই মরণঘাতী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আনছে। তবে এসব তথ্যকে মিথ্যা উল্লেখ করে প্রত্যাহার করেছে সংস্থাটি। 

vaccine symbolic picture 08প্রতীকী ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, সিরাম ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে যে, আমাদের গবেষণায় তৈরি কোভিশিল্ড (উদ্ভাবিত নমুনা ভ্যাকসিনের নাম) ৭৩ দিনের মধ্যেই সবার মধ্যে চলে আসছে- এ রকম একটি তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরছে। আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা একটি তথ্য।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সরকার শুধু আমাদের এটি উৎপাদন করার অনুমতি দিয়েছে। যাতে করে আমরা এর বৃহৎ আকারে মজুদ করে রাখতে পারি। মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগগুলো নিরাপদ প্রমাণ না হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা এর ব্যবহার সুনিশ্চিত করতে পারবো না।

pandemic symbolic picture10করোনাভাইরাসের মাইক্রোস্কোপিক ছবি

আল আরাবিয়া বলছে, ঘটনার সূত্রপাত ভারতের এক ম্যাগাজিন থেকে। সেখানে এক প্রতিবেদনে এসআইআই’র এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, ৭৩ দিনের মধ্যেই প্রস্তুত হয়ে যাবে কোভিশিল্ড। এ বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত।

ওই ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার আমাদের বিশেষ পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিন উৎপাদনের অনুমতি দিয়েছে। এখন আমাদের মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে, যা এখন থেকে ৫৮ দিন পর শেষ হবে। এর পর ১৫ দিন এসআইআইয়ের গবেষকরা প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে। সেই সময়েই ভ্যাকসিনটি বাণিজ্যিকভাবে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। হিসাব করলে এখন থেকে আমাদের ঠিক ৭৩ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

আল আরাবিয়া বলছে, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যৌথভাবে এই গবেষণাটি করছে এসআইআই। আগস্টের শুরুতে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। সে চুক্তি অনুযায়ী ভারতের এই প্রতিষ্ঠানটি ১০ কোটি ডোজ তাদের সরবরাহ করবে, যা দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে দেয়া হবে।

sheikh mujib 2020