advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গবেষণায় এগিয়ে আছে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি। তাদের সঙ্গে যুক্ত আছে দেশটির ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এস্ট্রাজেনকা। সেই গবেষণা পরিচালনার পাশপাশি এবার নতুন একটি এন্টিবডি নিয়ে কাজ শুরু করেছে তারা। প্রাথমিক পরীক্ষায় ইতিবাচক ফলাফল পেলে আরো সুদূরপ্রসারী গবেষণা করার ঘোষণা দিয়েছেন গবেষকরা। 

astrazenca logoএস্ট্রাজেনকার লোগো

আরব নিউজের বরাতে জানা যায়, দুটি মনোক্লোনাল এন্টিবডির সংমিশ্রণে 'এজেডি৭৪৪২' নামক একটি এন্টিবডি প্রস্তুত করে গবেষণাটি পরিচালনা করবে এস্ট্রেজেনকা। শুরুর দিকে তারা ১৮ থেকে ৫৫ বছরের ৪৮ জন সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর ওপর ডোজ আকারে এই এন্টিবডির প্রয়োগ করা হবে।

এস্ট্রাজেনকা বলছে, যদি এই এন্টিবডি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রভাব বিস্তার করতে পারে তাহলে শিগগিরই এ বিষয়ে আরো বিস্তর গবেষণা শুরু হবে।

pandemic symbolic picture2করোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি

দুটি মনোক্লোনাল এন্টিবডির একটি ম্যাবস মিমিক ন্যাচারাল এন্টিবডি। যা মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়। এর কাজই হলো দেহে সংক্রামক ভাইরাস প্রবেশের পর তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়া, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।

আরব নিউজ বলছে, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর একটি এন্টিবডি প্রস্তুতে দীর্ঘদিন কাজ করে যাচ্ছে এস্ট্রাজেনকা। গত জুনে মার্কিন সরকারের কাছ থেকে তারা ২ কোটি ৩৭ লাখ ডলার (২০০ কোটি টাকার বেশি) অনুদানও পেয়েছে শুধু এন্টিবডি সংক্রান্ত গবেষণার জন্য।

এস্ট্রেজেনকার পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি রেনেজেনেরন এবং এলি লিলি প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটির বিরুদ্ধে কার্যকর এন্টিবডি আবিষ্কারের লক্ষ্যে ন্যাচারাল এন্টিবডি নিয়ে গবেষণা করছে ম্যাবস মিমিক।

sheikh mujib 2020