advertisement
আপনি দেখছেন

চীনে জরুরি প্রয়োজনে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সিনোভ্যাক বায়োটেকের তৈরি একটি সম্ভাব্য প্রতিষেধক ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে দেশটির সরকার। শনিবার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

sinovac vaccineসিনোভ্যাক বায়োটেকের তৈরি সম্ভাব্য প্রতিষেধক- প্রতীকী ছবি

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনে জরুরি প্রয়োজনে সিনোভ্যাক বায়োটেকের তৈরি ‘করোনাভ্যাক’ প্রতিষেধক ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ প্রতিষেধকটি এখনো হিউম্যান ট্রায়ালের শেষ ধাপের পরীক্ষায় রয়েছে। করোনা সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের প্রতিষেধক সরবরাহের একটি কর্মসূচির আওতায় এটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

এদিকে গত রোববার চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাটে দেওয়া এক পোস্টে নিজেদের তৈরি একটি প্রতিষেধকের জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পাওয়ার খবর জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় ফার্মাসিউটিক্যাল প্রতিষ্ঠান সিনোফার্ম। বর্তমানে তাদের তৈরি দুটি সম্ভাব্য প্রতিষেধক হিউম্যান ট্রায়ালের চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে। সিনোফার্মের অধীনে ভ্যাকসিন দুটি তৈরি করেছে চীন ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ (সিএনবিজি)। তবে ঠিক কোন প্রতিষেধকটি জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তা জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি।

coronaকরোনাভাইরাস- প্রতীকী ছবি

শুক্রবার চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া জানায়, গত জুন মাসে চীন সরকার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর দুটি ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি দেয়। যার কার্যক্রম জুলাই মাস থেকে শুরু হয়েছে। তবে অনুমোদন পাওয়া ভ্যাকসিন দুটির নাম জানায়নি শিনহুয়া।

এর আগে গত সপ্তাহে সিনোফার্মের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শিনহুয়াকে জানান, শরৎ ও শীতকালে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে পারে। তাই সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলা চলমান জরুরিভিত্তিতে প্রতিষেধক প্রয়োগ কর্মসূচি সম্প্রসারণের চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার।

অন্যদিকে, চীনের সামরিক বাহিনী তাদের সেনাদের ওপর প্রয়োগের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় ক্যানসিনো বায়োলজিক্সের একটি সম্ভাব্য প্রতিষেধকের অনুমোদন দিয়েছে।

sheikh mujib 2020