advertisement
আপনি দেখছেন

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ইসরায়েলের দখলদারিত্বের অবসান ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসবে না। এর বাইরে যত চুক্তিই করা হোক তাতে লাভ হবে না। আরব দেশগুলোর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে বিশ্বাসঘাতকতা বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

abbas palaestine presidentমাহমুদ আব্বাস

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে তথাকথিত সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ চুক্তি করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এ নিয়ে নানা সমালোচনার মুখে রয়েছে দেশ দুটি। তবে এর পেছনে তারা যুক্তি দেখিয়েছে যে, সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ চুক্তির কারণে ইসরায়েল যে পশ্চিম তীর দখলের পরিকল্পনা করেছিল সেটা বন্ধ হবে। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনিদের আলাদা রাষ্ট্রের পথ সুগম হবে।

তবে তাদের এই যুক্তি ধোপে টিকছে না। ইতোমধ্যে মুসলিম বিশ্বের অনেক দেশ ও সংগঠন এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ইরান, তুরস্ক ও কাতার। তাদের বক্তব্য, এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যার সমাধান হবে না। বরং কথিত এই শান্তি চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলই লাভবান হবে।

israeil uae bahrain dealহোয়াইট হাউসে চুক্তি সই

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টও বলছেন, এসব চুক্তি করে মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হবে। এ জন্য ইসরায়েল যেসব ফিলিস্তিনি ভূমি দখল করেছে, সেখান থেকে সরে যেতে হবে। তাহলেই কেবল মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আসতে পারে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সোমবার হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাত ও বাহরাইনের চুক্তি সইয়ের পর এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন আব্বাস।

ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, তাদের (আরব রাষ্ট্র) এ কর্মকাণ্ডকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবেই দেখে ফিলিস্তিনিরা। সেইসঙ্গে এর নিন্দা জানানো হয়েছে ফিলিস্তিনিদের পক্ষ থেকে। 

উল্লেখ্য, এর আগেও ফিলিস্তিনিদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের এই পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের পিঠে পেছন থেকে ছুরি মারার শামিল।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্ম হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো আরব দেশই তাদের স্বীকৃতি দেয়নি। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে মিশর এবং ১৯৯৪ সালে জর্ডান তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ চুক্তি করে। এবার তৃতীয় ও চতুর্থ উপসাগরীয় দেশ হিসেবে সেই তালিকায় যুক্ত হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন।

sheikh mujib 2020