advertisement
আপনি দেখছেন

বিশ্বকে বিপর্যস্ত করা মরণঘাতী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে বেশ কিছু গবেষণা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের প্রায় কাছাকাছি রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ দিকে অথবা আগামী বছরের শুরুতে ভ্যাকসিন বাজারে আসতে পারে।

deal signed 156 countriesকরোনার ভ্যাকসিন পেতে ১৫৬ দেশের ঐতিহাসিক চুক্তি

তবে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দিক থেকে এখন পর্যন্ত যেসব দেশ এগিয়ে রয়েছে তার সবগুলোই শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন যে, কার্যকর ভ্যাকসিন আবিষ্কার সম্ভব হলে তা বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর হাতে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগবে। কারণ উৎপাদনকারী ধনী দেশগুলো এ নিয়ে ‘চরম’ ব্যবসা করতে পারে।

সেই অবস্থা মোকাবেলা তথা গোটা বিশ্বে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের বণ্টন নিশ্চিত করতে একটি ঐতিহাসিক চুক্তিতে সম্মত হয়েছে ১৫৬টি দেশ। এই চুক্তি অনুযায়ী, কোনো ভ্যাকসিন কার্যকর প্রমাণ হলে স্বল্প সময়ের মধ্যে এবং সাম্যতার ভিত্তিতে তা বিশ্বের দেশগুলোতে বিতরণ করা হবে।

chief whoবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান

ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান বলছে, চুক্তির শর্তানুসারে কোনো ভ্যাকসিন কার্যকর প্রমাণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা স্বাক্ষরকারী দেশগুলোতে পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রতিটি দেশের ৩ শতাংশ নাগরিককে বেছে নেয়া হবে। আর যেসব দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নত নয় এবং চিকিৎসক তথা স্বাস্থ্যকর্মীসহ ফ্রন্টলাইনে থাকা অন্যান্য পেশার লোকজন যারা করোনার বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন, এই চুক্তি প্রথমেই সেসব দেশে সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

জানা গেছে, ধনী রাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোও যাতে করোনার ভ্যাকসিন পায়, সেটা নিশ্চিত করতেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান কোভ্যাক্স কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন শীর্ষক এই প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

বিভিন্ন দেশের সরকার, ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কোম্পানি ও সংস্থা এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পে ১৪০ কোটি ডলার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় অংশগ্রহণকারী সব দেশে সাম্যতার ভিত্তিতে ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে।

sheikh mujib 2020