advertisement
আপনি দেখছেন

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি কুপোকাত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ মহামারিতে অন্য দেশগুলোও টালমাটাল অবস্থায় থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি। এতে যুক্তরাষ্ট্রসহ অধিকাংশ দেশ এখনো সংকটে হাবুডুবু খেলেও ক্ষতি কাটিয়ে উঠছে চীন।

china usa flag 2019চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফের পূর্বাভাসে বলা হয়, করোনার কারণে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক বা মারাত্মক সংকুচিত হয়েছে। কিন্তু চীন এ সংকট কাটিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে। ফলে বিশ্ব অর্থনীতির দ্বিতীয় বৃহৎ দেশটি এক নম্বরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রকেও টপকাতে পারে।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২১ সাল নাগাদ বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনা অবদান বেড়ে ২৬.৮ শতাংশে দাঁড়াবে। ২০২৫ সালে তা ২৭.৭ শতাংশে উন্নীত হবে। এতে করে দেশভিত্তিক অবদানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে এক নম্বরে পৌঁছাবে চীন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান ২৩ শতাংশের বেশি আর চীনের ১৫.৫ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের উহান হলেও এর প্রভাবমুক্ত হয়েছে দেশটি। এমনকি কয়েক মাস আগেই দেশকে করোনামুক্ত ঘোষণা করেছে তারা। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে এখনো এই ভাইরাসে সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। অন্য অনেক দেশে একই অবস্থা বিরাজ করছে। এতে প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সবার থেকে এগিয়ে যাচ্ছে চীন।

imf headquarterআইএমএফ সদরদপ্তর

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের অবদান বেড়ে ২৭.৭ শতাংশ হবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান কমে ১০.৪ শতাংশে নেমে যেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতিতে শীর্ষ পাঁচটি দেশের তালিকায় আগামী বছর স্থান পাবে ভারত, জার্মানি ও ইন্দোনেশিয়া। এর মধ্যে ২০২৫ সাল নাগাদ ভারতের অবদান ১৩ শতাংশে উন্নীত হলে চীনের পরে স্থান পাবে। আর যুক্তরাষ্ট্র থাকবে ভারতেরও পেছনে।

sheikh mujib 2020