advertisement
আপনি দেখছেন

ইরানের ওপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। ফলে আজ থেকে বিশ্বের যে কোনো দেশের সঙ্গে তারা অস্ত্র বিক্রি ও ক্রয় করতে পারবে। অবশ্য এই নিষেধাজ্ঞা জারি রাখতে সব ধরনের চেষ্টা করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু তাদের সকল চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। তবে তারা এখনই হাল ছাড়তে নারাজ। দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসলে আবারও ইরান ইস্যুতে কঠোর নীতি জারি করার বিষয়ে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

us robert o brienমার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও'ব্রায়েন

এ বিষয়ে সম্প্রতি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও'ব্রায়েন দ্বিতীয় মেয়াদের শাসনকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, যে কোনো উপায়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য। আসন্ন নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় নির্বাচিত হলে তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হবে। যেন ইরান শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়। আর ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু সমঝোতাকে পুরোপুরি উপড়ে ফেলবে।

এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, পরমাণু সমঝোতায় কিছুই অর্জিত হয়নি বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ইরান তাদের পরমাণু কার্যক্রম আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই ওয়াশিংটন চায়, তেহরান শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি থেকে পুরোপুরি সরে আসুক। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে তারা সীমিত আকারে এ কার্যক্রম পরিচালনা করুক। বিষয়টি নিয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনাও হতে পারে।

donald trump 01 1মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি থেকে তেহরানকে পুরোপুরি বিরত রাখা। যেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি তাদের শিল্প, চিকিৎসা, কৃষিসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে না পারে। তাই তারা নামমাত্র ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি চালানোর সুযোগ দিতে চায়। অবশ্য আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচি কোনোভাবেই ইরানের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছে কূটনৈতিক সূত্র।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা তার বক্তব্যে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকেও ইরানকে বিরত রাখার জোর চেষ্টা করা হবে জানিয়ে বলেন, ইরানের এই কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে। তাই তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনায় এ বিষয়টিও উত্থাপন করা হবে। তবে তেহরানের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আলোচনার বিষয় হবে না।

sheikh mujib 2020