advertisement
আপনি দেখছেন

নাইজেরিয়ার লাগোসে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে থেকে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়ায় চলছে লুটতরাজ, কারাগারেও ঘটেছে আগুনের ঘটনা। সব মিলিয়ে ভয়াবহ অবস্থা তৈরি হওয়ায় বিক্ষোভে বেসামাল হয়ে পড়েছে দেশটি।

shots fired protests in nigeriaনাইজেরিয়ায় বিক্ষোভে গুলি

ডয়চে ভেলের সাংবাদিক ফ্যানি প্যাসকার জানান, বিক্ষোভ থামাতে ৪৮ ঘণ্টার জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও লাগোসে বিক্ষোভ এখনো চলছে। চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৫৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে মঙ্গলবার একদিনেই ৩৮ জন নিহত হন।

এদিকে, বিক্ষোভের মধ্যেই ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় শহরের বিভিন্ন স্থানে শপিং মল, এটিএম বুথ, এমনকি বাড়িতে চলছে লুটপাট। একটি কারাগারেও আগুন লেগেছে। তবে দেশটির পুলিশের মুখপাত্রের দাবি, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ চলছে। তাদের মধ্যে একদল দুষ্কৃতকারী ঢুকে পড়েছে, তারাই বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, আন্দোলনকে বানচাল করতে শহরজুড়ে গোলমাল করছেন সরকারের মদতপুষ্ট লোকজন। এর দায় বিক্ষোভকারীদের ওপর চাপিয়ে গুলি চালানো হয়েছে- এটা সরকারি ছক।

sars protest lagos nigeriaনাইজেরিয়ায় বিশাল বিক্ষোভ

অবিলম্বে বিক্ষোভ বন্ধ করে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বুহারি। তবে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে তার বাহিনীর গুলি চালানোর কোনো ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে হিউমান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিক্ষোভে নির্বিচার গুলি চালিয়েছে সরকারি সেনারা। এতে চলমান আন্দোলনে ওই দিনই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

পুলিশি বাড়াবাড়ির প্রতিবাদে গত এক সপ্তাহ ধরে চলা এ বিক্ষোভ এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় বেশ তীব্র হয়েছে। ১৯৯৯ সালে স্বৈরশাসনের অবসান হওয়ার পর দেশটিতে এত বড় বিক্ষোভ আর দেখা যায়নি।

sheikh mujib 2020