advertisement
আপনি দেখছেন

যুক্তরাষ্ট্রে এমন কিছু অঙ্গরাজ্য আছে, নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে রাজ্যগুলোকে বলা হয় ব্যাটলগ্রাউন্ড বা নির্বাচনী রণক্ষেত্র। কারণ প্রার্থীদের কারণে এসব রাজ্যের ভোট যেকোনো পক্ষে চলে যেতে পারে। নির্বাচনে জয় বা পরাজয়ের ক্ষেত্রে যা শেষ পর্যন্ত মূল ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায়। এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য হলো নর্থ ক্যারোলাইনা।

donald trump disappointedডোনাল্ড ট্রাম্প

আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই রাজ্যেই পোস্টাল ভোট গ্রহণের বর্ধিত সময়সীমা আটকে দেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ক্ষমতাসীন রিপালিকান পার্টির আইনপ্রণেতারা। কিন্তু সে আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসি জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পছন্দের ও মনোনীত বিচারপতি হলেন অ্যামি কোনে ব্যারেট। অতি সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চে তিনি ছিলেন না।

postal vote usaপোস্টাল ভোট

খবরে বলা হয়েছে, নর্থ ক্যারোলাইনায় পোস্টাল ভোট গ্রহণের জন্য রাজ্যের নির্বাচনী বোর্ডকে সময়সীমা ১২ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছিল নিম্ন আদালত। তবে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা তা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। উচ্চ আদালতে সে আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়ে যায়।

এদিকে, করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে নির্বাচন হওয়ায় এবার যুক্তরাষ্ট্রে পোস্টাল ভোট (মেইলের মাধ্যমে ভোট) দেয়ার হার অনেক বেড়ে গেছে। মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ৭ কোটি ভোটার ভোট দিয়েছেন। যার দুই-তৃতীয়াংশই পোস্টাল ভোট।

তবে পোস্টাল ভোট গণনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। নির্বাচনের তারিখের (০৩ নভেম্বর) মধ্যেই যে সব পোস্টাল ভোট গণনা সম্ভব হবে তা নয়। আর সে কারণেই নর্থ ক্যারোলাইনার নিম্ন আদালত ভোট গণনার জন্য ১২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর অনুমতি দেয়।

নিম্ন আদালতের এই রায়কেই আটকে দিতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন নর্থ ক্যারোলাইনার রিপাবলিকান আইন প্রণেতারা। কারণ ধারণা করা হচ্ছে, পোস্টাল ভোটের বেশিরভাগই ডেমোক্রেটরা পেতে পারে।

sheikh mujib 2020