advertisement
আপনি দেখছেন

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বিশ্বের আকাশপথ বন্ধ ছিল। তারপর ধীরে ধীরে আবার বিমানগুলো উড়তে শুরু করে। তবে এক্ষেত্রে কঠোরভাবে মানতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি এবং যাতায়াতের অন্যান্য শর্ত। এর মধ্যে এক নম্বর শর্ত হলো যাত্রীর কোভিড নেগেটিভ সনদ। কিন্তু কোভিডের ‘ভুয়া সনদে’র কারণে সম্প্রতি বিপাকে পড়েছে বিমান সংস্থাগুলো।

biman crue

যত দিন যাচ্ছে, এমন ভুয়া সনদধারী যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিমানবন্দরে তাৎক্ষণিকভাবে সেটা প্রমাণ করাও সম্ভব হচ্ছে না। এতে করে করোনা নেগেটিভ সনদধারী হয়েও অনেক যাত্রী নিজের অজান্তেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটিয়ে যাচ্ছেন। এ সমস্যা নিয়ে রীতিমতো লড়াই করছে বিমান সংস্থাগুলো।

এই সঙ্কট নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। তাতে বলা হয়েছে, করোনার এমন ভুয়া সনদগুলো বেশি আসছে ফ্রান্স, ব্রাজিল, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের থেকে। বিষয়গুলো ধরা পড়ার পর জানা যাচ্ছে, এতে ওই যাত্রীর কোনো হাত নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একটি অসাধু চক্র মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভুয়া নেগেটিভ সনদ সরবরাহ করছে।

update 21april

ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশনের পরিচালনা পর্ষদ জানায়, বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এমন বেশ কয়েকটি চক্রকে আটক করেছে। কিন্তু তাতে খুব একটা সফল হওয়া যায়নি। এখনো দেদারসে বিক্রি হচ্ছে করোনার ভুয়া সনদ। এই প্রবণতা রুখতে বৈশ্বিক উদ্যোগ জরুরি।