advertisement
আপনি দেখছেন

মার্কিন বাধা উপেক্ষা করে ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। ২০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার কথা থাকলেও পরমাণু কেন্দ্রে ‘ইসরায়েলি নাশকতার’ জবাবে তা ৬০ শতাংশে উন্নীত করেছে দেশটি। বলেছে, প্রয়োজন হলে ৯০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা হবে। বিভিন্ন ‘শত্রু দেশ’ বিশেষত ইসরায়েলের গোয়েন্দা হামলার শিকার হচ্ছে ইরান; সঙ্গে সঙ্গে এর পাল্টা জবাবও দিচ্ছে দেশটি।

iran missile 1ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ

এ প্রেক্ষাপটে ইরানের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন দেহকান বলেছেন, শত্রুর হুমকির ধরন অনুযায়ী ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ঠিক করে এবং হুমকি যত বাড়বে ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লাও তত বাড়বে।

ইয়েমেনের আল-মাসিরা টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো বিদ্বেষী পদক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে যে কোনো উসকানিমূলক পদক্ষেপের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। আর সে জবাব কখন কোথায় দেওয়া হবে, তা তেহরানই ঠিক করবে। এর ফলে শত্রু ইরানের বিরুদ্ধে একই ধরনের পদক্ষেপের পুনরাবৃত্তি করার আগে শতবার চিন্তা করবে।

ইরান যে কোনো আগ্রাসী পদক্ষেপের জবাব দেওয়ার জন্য পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে জেনারেল দেহকান বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এ দেশের রেডলাইন এবং এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করা যাবে না। ইরান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় ছাড় দেওয়ার জন্য কারও সঙ্গে আলোচনায় বসবে না।

iran missile 2ইরানের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন দেহকান

ইরানের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, গণবিধ্বংসী অস্ত্র ছাড়া অন্য যে কোনো সমরাস্ত্র উৎপাদনের দিক দিয়ে ইরান কোনো সীমারেখা মানবে না।

ইরানের নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনায় সাম্প্রতিক সাইবার হামলার দায় কে স্বীকার করল তা বড় কথা নয় বলে উল্লেখ করেন জেনারেল দেহকান। তিনি বলেন, ইসরায়েল, সৌদি আরব এবং আমেরিকা এ হামলার সঙ্গে জড়িত এবং মার্কিন সরকার এর দায় এড়াতে পারবে না। তিনি বলেন, সৌদি আরব ইরানের শত্রু নয়; কিন্তু সে যদি ইসরায়েল এবং পাশ্চাত্যের সঙ্গে মিলে তেহরানের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক পদক্ষেপে জড়িয়ে পড়ে, তখন দেশটির ব্যাপারে ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে যাবে।