advertisement
আপনি দেখছেন

ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস পূর্ব বায়তুল মুকাদ্দাস বা পূর্ব জেরুজালেম এবং আল-আকসা মসজিদ চত্বর থেকে দখলদার সেনা প্রত্যাহারে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত শতাধিক রকেট নিক্ষেপ করেছে। এর মাধ্যমে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যত বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

hamas rocket israel

হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেড এক বিবৃতির মাধ্যমে সোমবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা বলেছে, শতাধিক রকেট বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের ইসরায়েল অধিকৃত অংশে নিক্ষেপ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পবিত্র শহরে ইসরায়েলের আগ্রাসন এবং শেখ জাররাহ ও আল-আকসা মসজিদে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর দখলদার বাহিনী নিপীড়নের প্রতিবাদে এসব রকেট হামলা চালানো হয়েছে।

বিবৃতিতে কাসসাম ব্রিগেড দাবি করেছে, এর মাধ্যমে ইসরায়েলকে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে যা তাদের বুঝতে কোনো অসুবিধা হবে না।

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস এর আগে সোমবার ইসরায়েলকে এক ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয় পূর্ব বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে তাদের সব সেনা প্রত্যাহার করে নিতে। স্থানীয় সময় ওই দিন সন্ধ্যা ৬টায় ওই সময়সীমা পার হয়। এর কয়েক মিনিটের মধ্যে ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে রকেট হামলা চালায় প্রতিরোধ সংগঠনটি।

gaza israel air strike inner

এদিকে, ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে হামাসের রকেট হামলার স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, গাজা উপত্যকা থেকে নিক্ষেপ করা অন্তত ৭টি রকেট বায়তুল মুকাদ্দাসের অধিকৃত অংশে আঘাত করেছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। একটি রকেট আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়ার দাবিও করা হয়েছে বিবৃতিতে।

অন্যদিকে, হামাস যখন রকেম হামলা চালায় তখন অধিকৃত বায়তুল মুকাদ্দাস জুড়ে বেজে উঠে সাইরেন। এর পর ইসরায়েলি পার্লামেন্টের অধিবেশন মাঝপথে মুলতবি ঘোষণা করা হয় এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয় সংসদ সদস্যদের।

তবে হামাসের রকেট বর্ষণের জবাবে গাজা উপত্যকায় দফায় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ৯ শিশুসহ কমপক্ষে ২১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।