advertisement
আপনি দেখছেন

ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ লড শহরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ ঘোষণা দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

emergency in lod

বিবিসি জানায়, ইসরায়েলি এক ফিলিস্তিনি নিহতের প্রতিবাদে ব্যাপকভাবে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয় তেল আবিব।

খবরে বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ‘স্টান গ্রেনেড’ ব্যবহার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। এর জবাবে ইট-পাটকেল ছুড়েছে প্রতিবাদকারীরা। এতে অন্তত ১২ জন আহত হন।

পুরো শহরের পরিস্থিতি এতটাই নাজক হয়ে পড়ে যে, তাকে গৃহযুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন সেখানকার মেয়র ইয়ার রেভিভো। শহরটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে, তা সব ইসরায়েলির জানা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

টাইমস অব ইসরায়েল বলছে, ১৯৬৬ সালের পর শহরটিতে প্রথমবারের মতো জরুরি অবস্থা জারি করলো সরকার। এমনকি ‘প্রয়োজনে কারফিউ জারি’র হুমকি দিয়েছেন নেতানিয়াহু।

emergency in lod 1

প্রসঙ্গত, ইসরায়েলে বিপুল সংখ্যক আরব নাগরিক বসবাস করছেন, যারা নিজেদের ইসরায়েলে বাস করা ফিলিস্তিনি পরিচয় দেন। এমন এক নাগরিক সম্প্রতি ইসরায়েলি এক ব্যক্তির গুলিতে নিহত হলে বিক্ষোভ শুরু হয়।

এদিকে, গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে, দীর্ঘ হচ্ছে হতাহতের তালিকাও। তেল আবিবের বিমান হামলায় ৫৩ ফিলিস্তিনি এবং গাজার রকেট হামলায় ৬ ইসরায়েলি নিহত হয়েছে এরইমধ্যে।

গত ৩৬ ঘণ্টার সহিংসতায় দফায় দফায় কয়েক শ’ বার বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর বিপরীতে গাজা থেকে দেড় হাজার রকেট ছুঁড়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধারা। হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকায় পুরোপুরি যুদ্ধের আশঙ্কা করছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।