advertisement
আপনি দেখছেন

চলমান সংঘাতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ব্যবহার করেছে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এসব হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় হতভম্ব হয়ে পড়েছে তেল আবিব সরকার।

hamas missiles

এখন পর্যন্ত যেসব হামলা চালানো হয়েছে, তাতে পুরনো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস। সংগঠনটির রাজনৈতিক শাখার উপ-প্রধান সালেহ আল আরোয়ি বলেছেন, মূল ক্ষেপণাস্ত্র এখনো ব্যবহার করা হয়নি।

আল-আকসা টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শত্রুদের বিরুদ্ধে মাসের পর মাস লড়াই চালানোর মতো সক্ষমতা রয়েছে আমাদের।

ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাসের কয়েক জন কমান্ডার নিহত হওয়ার বিষয়ে সালেহ আল আরোয়ি বলেন, শাহাদাতের কারণে প্রতিরোধ সংগ্রাম দুর্বল হয় না, আরো শক্তিশালী হয়।

abu obaida hamas

এতে হামাস দমে যাবে- এটা ভাবলে শত্রুরা ‘মারাত্মক ভুল’ করবে বলে সতর্ক করেন তিনি। সেইসঙ্গে তাদের সংগ্রাম দিনকে দিন আরো বেগবান হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, ফিলিস্তিনি ক্ষেপণাস্ত্র-রকেট বৃষ্টিতে ইসরায়েলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়ন বন্ধ রয়েছে গত সোমবার থেকে। এবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের আরেক বিমানবন্দর ‘রামুন’-এ আজ বৃহস্পতিবার হামলা চালানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হামাসের সামরিক শাখা আল কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবায়দা বলেন, এ হামলায় মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ‘আইয়াশ’ ব্যবহার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাকে ইসরায়েলে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ রাখার আহ্বান জানান তিনি।

palestinian rocket rain 4

পার্সটুডে জানায়, ​গাজা থেকে ২২০ কিলোমিটার দূরে বিমানবন্দরটিতে হামলায় ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানা হয়েছে। বেন গুরিয়ন বন্ধ করে দেয়ার পর রামুন দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করছিল তেল আবিব।

গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া সহিংসতায় গাজা থেকে প্রায় দুই হাজারের মতো রকেট ছোড়া হয়েছে ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে। এর মধ্যে রাজধানী তেল আবিবসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও রয়েছে।

এসব হামলায় ৬ জন নিহতের তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, আহত হয়েছেন বেশ কয়েক ডজন মানুষ। অন্যদিকে, গাজায় কয়েক শ’ বার বিমান হামলা চালায় দখলদার ইহুদী সেনারা। এতে এখন পর্যন্ত ১৭ শিশুসহ ৮৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরো ৪৮০ জন আহত হয়েছেন।