advertisement
আপনি দেখছেন

আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশ মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তানের সেনাবাহিনী গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বিশাল মহড়া দিয়েছে। দেশটির ইতিহাসে এমন বিশাল মহড়া এর আগে সেনাবাহিনীকে দিতে দেখা যায়নি। সীমান্তের আফগানিস্তানে তালেবানের উত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের এই প্রস্তুতি। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমোমালি রাখমনের নির্দেশে মহড়া পরিচালিত হয়েছে।

tajik troopsসীমান্তে অবস্থান নিয়েছে তাজিক সেনারা

আফগানিস্তান সীমান্তে বাছাইকৃত ২০ হাজার তাজিক সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। তাজিকিস্তান সীমান্তের ‘শির খান বন্দার’ বর্ডার ক্রসিং এখন তালেবানের দখলে। এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের খবর।

তালেবান গত মাসে সর্বোচ্চ ৮১টি জেলা দখল করেছে। মোট ৪১৯ জেলার মধ্যে বর্তমানে তালেবানের দখলে ২০০টিরও বেশি জেলা। বুধবার এই তথ্য জানান মার্কিন জেনারেল মার্ক মিলি। তিনি মনে করছেন, তালেবানের সঙ্গে শিগগির সমঝোতা করার সময় এসে গেছে সরকারি বাহিনীর।

afgan taliban control districtআফগানিস্তানের ২০০টিরও বেশি জেলা দখলে নিয়েছে তালেবান

সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হওয়ার পর ৩০ বছরের মধ্যে এই প্রথম তাজিকিস্তান তাদের সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত করল। তারা সব প্রকার অস্ত্র-সরঞ্জাম পরীক্ষা-নিরিক্ষা চালিয়েছে।

সেনাবাহিনীর স্থল, বিমান ও আর্টিলারি ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মহড়ার দৃশ্য তাজিক রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার হয়েছে। তাজিক প্রেসিডেন্ট সেনাবাহিনীর প্রতি ‌‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ রক্ষায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট রাখমন বলেন, আফগানিস্তানে যুদ্ধাবস্থা আমাদের সীমান্তে প্রভাব ফেলছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল ও অনিশ্চিত। দিন দিন এমনকি ঘণ্টায় ঘণ্টায় পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। সম্ভাব্য হুমকি মোকাবেলায় আমাদের যথাসম্ভব প্রস্তুত থাকতে হবে। আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংলগ্ন প্রদেশে নিরাপত্তা রক্ষার সময় এখন এসেছে।

এর আগে তালেবানের আক্রমণে নিজেদের বাঁচাতে আফগানের বহুসংখ্যক সেনা ও সাধারণ মানুষ সীমান্ত অতিক্রম করেছে। তাজিক সেনাদের এই প্রস্তুতির ব্যাপারটি তখনই এল, যখন রাশিয়া বলেছে আফগান প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার সেনারা উজবেক ও তাজিক সেনাদের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নেবে।