advertisement
আপনি দেখছেন

ইসলামি নিয়ম অনুসারেই অপরাধীদের শাস্তি দেয়া হবে বলে জানিয়েছে আফগানিস্তানের নতুন প্রশাসন। নিউইয়ক পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ ইউসুফ নামের এক তালেবান কর্মকর্তা বলেছেন, তাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামের মাধ্যমে জনগণের সেবা করা। তারই ধারাবাহিকতায় সমাজের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের ইসলামি নিয়ম অনুসারে শাস্তি দেয়া হবে।

taliban pertolআইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে তালেবানে টহল

১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত তালেবানের আগের শাসনামলে আফগানিস্তানের রাস্তায় নৈতিক পুলিশ স্থাপন করা হয়েছিল। সরকারের বেধে দেয়া বিধিনিষেধ লঙ্ঘনকারীদের বেত্রাঘাত, পাথর, বিচ্ছেদ এবং এমনকি অপরাধের ভিত্তিতে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

শরিয়া আইনের ব্যাখ্যার উদাহরণ দিয়ে ইউসুফ বলেন, যদি একজন হত্যাকারী ইচ্ছাকৃতভাবে এ অপরাধ করে তাকে হত্যা করা হবে। কিন্তু এ বিষয়টি যদি ইচ্ছাকৃত না হয় তবে তার অন্য শাস্তি হতে পারে। এমনিভাবে চোরদের হাত কেটে ফেলা হবে এবং যারা "অবৈধ যৌন সম্পর্কে" জড়িত তাদের পাথর ছুঁড়ে মারা হবে। এক্ষেত্রে শুধু নারী নয়, বরং এ অবৈধ কাজের সাথে জড়িত পুরুষ ও নারী উভয়েরই একই কঠোর পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

taliban leaders 2তালেবান নেতৃবৃন্দ, ফাইল ছবি

তালেবান কর্মকর্তা বলেন, আমরা শুধু ইসলামি নিয়ম-কানুন সংবলিত একটি শান্তিপূর্ণ দেশ চাই। শান্তি ও ইসলামি বিধানই আমাদের একমাত্র কামনা।

এদিকে আফগানিস্তানের শিয়া মুসলমানরা সেদেশের নতুন সরকারে তাদের অংশগ্রহণ বা প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে দেশটির মধ্যপ্রদেশের শিয়া মুসলমানদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তার সাক্ষাতের কথা জানান।

কারজাই বলেন, শিয়া মুসলিম নেতারা তার সাথে দেখা করে দেশের নতুন মন্ত্রিসভায় অংশ নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর তাদের মধ্যে এ সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।

আফগানিস্তানের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ শিয়া মুসলিম জনগোষ্ঠী এবং সেদেশের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তাদের বিরাট প্রভাব রয়েছে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে