advertisement
আপনি দেখছেন

গত ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মোয়িস। সেই হত্যার বিচার চলছে। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়ার এক পর্যায়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুরোধ জানিয়েছিলেন প্রধান কৌঁসুলি বেড ফোর্ড ক্লড। এর পরদিনই তার চাকরি চলে যায়।

haiti pm henriহাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরি

হাইতির সংবিধান অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের অনুমতি ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় না। সে অনুযায়ী চাইলেও প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরিকে জিজ্ঞাসাবাদ সম্ভব নয়, কারণ দেশটিতে এখন কোনো প্রেসিডেন্ট নেই। রাষ্ট্রের প্রধান কৌঁসুলি হিসেবে বেড ফোর্ড ক্লডের নিশ্চয়ই বিষয়টি জানার কথা। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতের কাছে এমন অনুরোধ ভালোভাবে নেয়নি সরকার।

যে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ এনেছেন বেড ফোর্ড ক্লড, সেই প্রধানমন্ত্রীই তার বরখাস্তের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাকে পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এমন চিঠির পর বেড ফোর্ড ক্লডের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

বেড ফোর্ড ক্লড আদালতে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হত্যায় প্রধানমন্ত্রীর জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। যেসব সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে, জোসেফ নামে তাদের একজনের সঙ্গে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর, তাও আবার প্রেসিডেন্টের মৃত্যুর মাত্র দুই ঘণ্টা আগে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জোর দাবি জানাচ্ছি।