advertisement
আপনি দেখছেন

জাতিসংঘের পরিদর্শকরা সাইপ্রাসে সংরক্ষিত একটি রহস্যজনক ছোট বিমানের পর্যবেক্ষণ ও নিরীক্ষা সম্পন্ন করেছে, যে বিমানটি লিবিয়ায় জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনে ব্যবহৃত হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসের বিমান চলাচল কর্মকর্তা চারিস অ্যান্টোনিয়াডস শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

un check mystery planeসাইপ্রাসে সংরক্ষিত রহস্যজনক ছোট বিমান

সাইপ্রাসের সিভিল এভিয়েশন বিভাগের ওই চিফ অপারেশন অফিসার এপিকে বলেন, ১২ অক্টোবর একদিনে ইন্সপেক্টররা ওই বিমানটিসহ একক ইঞ্জিনের প্রপেলারযুক্ত ৫৫০ বিমানের পরিদর্শন শেষ করেছেন। লিবিয়ান এক্সপ্রেস।

খবরে বলা হচ্ছে, বিমানটি হয় লিবিয়ায় যুদ্ধ অভিযানে অংশ নিয়েছিল অথবা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ২০১১ সালে লিবিয়ার ওপর যে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল তা লঙ্ঘন করে বন্দুক চালাতে ব্যবহৃত হয়েছিল।

সাইপ্রাসের ওই কর্মকর্তা বলছেন, ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই বিমানটি প্রথম সাইপ্রাসের লার্নাকার প্রধান বিমানবন্দরে জর্দানের রাজধানী আম্মান থেকে এসেছিল। বিমানটি একই বছরের ৩১ জুলাই সাইপ্রাসের পাফোস দ্বীপের সেকেন্ডারি বিমানবন্দরে অবতরণ করে এবং তখন থেকে সেখানেই গেছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে বিমানটির মালিকান সম্পর্কে তথ্য নেই কারণ এটি সাইপ্রাসে নিবন্ধিত নয়। তিনি বলেন, বিমানটি সামরিক কাজে ব্যবহার হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কিন্তু যখন বিমানটি প্রথম এসেছিল তখন কোনো সামরিক সরঞ্জাম দৃশ্যমান ছিল না।

এই বছরের আগস্টে সাইপ্রাস ঘটনাটি জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার পর জাতিসংঘ পরিদর্শকরা সাইপ্রাসে যান। পুলিশের নির্দেশনায় জাতিসংঘ কর্মকর্তারা তাদের কাজ সম্পন্ন করেছে। বিমানের পরিদর্শনের বিষয়ে জাতিসংঘ কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক মন্তব্য করতে সাড়া দেয়নি।

সন্দেহ করা হচ্ছে, বিমানটি লিবিয়ায় খলিফা হাফতারের পক্ষে অস্ত্র সরঞ্জাম ব্যবহারে ক্ষেত্রে গোপনীয়ভাবে ব্যবহার করা হতে পারে। কারণ চলতি বছরের শুরু দিকে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, আমেরিকান নিরাপত্তা ঠিকাদার এরিক প্রিন্স হাফতারকে সাহায্য করার জন্য একটি অভিযানের সময় অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছিল।

জাতিসংঘ কর্মকর্তারা জানতে পারেন, একটি বেসরকারি সামরিক কোম্পানির পরিকল্পনা ছিল খলিফা হাফতারকে ত্রিপোলি দখল অভিযানে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা।