advertisement
আপনি দেখছেন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বন্দরে চীনের একটি শিপিং পোর্টের অভ্যন্তরে পরিচালিত হওয়া এক 'গোপন প্রকল্পের কাজ' বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপে সেটি বন্ধ করা হয়। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন অন্তত দুটি সূত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। আপাতত প্রকল্পটি বন্ধ হলেও এখনও সেখানে চীনের উপস্থিতি রয়েছে।

uae secret project chinese portযুক্তরাষ্ট্রের চাপে আমিরাতে চীনের 'গোপন প্রকল্প' নির্মাণ বন্ধ

বিষয়টি নিয়ে প্রথম সংবাদ প্রকাশ করে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, চীন আমিরাতের খলিফা বন্দরের একটি কন্টেইনার টার্মিনালের অভ্যন্তরে গোপন এই কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। স্যাটেলাইট ইমেজের সাহায্যে ওই কার্যক্রম শনাক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে বহুতল ভবন নির্মাণ করা যায় এমন বিশাল গর্ত পাওয়া গেছে। আর ওই গর্ত আড়াল করতে উপরের অংশটি ঢেকে দেওয়া হয়েছিল।

সিএনএন জানিয়েছে, এই ঘটনার পর গত আগস্টে আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে আমিরাত কর্তৃপক্ষ সামরিক কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত নন বলে জানানো হয়েছে।

এরপর গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান এবং হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সমন্বয়ক ব্রেট ম্যাকগার্ক সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যান। সেখানে আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের কাছে মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের বিবরণ উপস্থাপন করেন তারা। এরপর মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে খলিফা বন্দরের ওই স্থানটি পরিদর্শন করে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এরপরই ওই নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ওয়াশিংটনে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস তাৎক্ষণিকভাবে অনুরোধে সাড়া দেয়নি। তবে তারা ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছে, 'সংযুক্ত আরব আমিরাত তার ভূখণ্ডে চীনকে সামরিক ঘাঁটি বা কোনো ধরনের ফাঁড়ি স্থাপনের অনুমতি দেয়নি বা এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তিও করেনি।' আর এ বিষয়ে জানতে চাইলে চীনের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।