advertisement
আপনি দেখছেন

সলোমন দ্বীপে চীনা বিরোধী বিক্ষোভ দমাতে সেনা মোতায়েন করেছে অস্ট্রেলিয়া। পুলিশ, সৈন্য এবং কূটনৈতিক কর্মীদের সলোমন দ্বীপপুঞ্জে পাঠিয়েছে দেশটি। চীনের সাথে সম্পর্ক নিয়ে দ্বীপপুঞ্জটিতে সহিংস বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা সম্প্রতি জাতীয় সংসদেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। আরটি নিউজ।

australia deploys troops to solomon island

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ৭৫ ফেডারেল পুলিশ অফিসার, ৪৩ জন সেনা এবং কমপক্ষে পাঁচজন কূটনীতিকের একটি বিচ্ছিন্ন দল সলোমন দ্বীপপুঞ্জে পাঠানো হয়েছে। দ্বীপের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা প্রদান এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করতে সাহায্য করার জন্য সেনা পাঠানো হয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার এ মিশন কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সলোমন দ্বীপে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও বিক্ষোভের প্রধান কারণ হল, ২০১৯ সালে সলোমন সরকারের সিদ্ধান্ত চীনের পক্ষে যাওয়া। সলোমন সরকার তাইওয়ানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

solomon islands capital honiara

মরিসন অবশ্য জোর দিয়ে বলেছেন, সলোমন দ্বীপপুঞ্জের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্য নয়। রাজধানী শহর হোনিয়ারাতে ব্যাপক বিক্ষোভের পরে বুধবার (২৪ নভেম্বর) ৩৬ ঘণ্টার লকডাউন ঘোষণা করেন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী মানসি সোগাভার। বিক্ষোভকারীরা তার পদত্যাগ দাবি করে। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা সংসদ ভবনে হামলা চালানোর চেষ্টা করে এবং আইনসভা সংলগ্ন একটি ঘরে আগুন দেয়।

এমতাবস্থায় শুক্রবার দ্বীপটিতে পৌঁছায় অস্ট্রেলিয়ার সেনারা। এ সময় সলোমনের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিক্ষোভকারীরা চীনের সঙ্গে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে। তারা সলোমন দ্বীপপুঞ্জকে চীনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে নিরুসাহিত করছে।