advertisement
আপনি পড়ছেন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে অগ্রগতি না হওয়ায় যুক্তরাজ্যের সাথে বড় বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে ভারত। এ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার ভারতের সাথে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। বিবিসি।

flag india ukযুক্তরাজ্যের সাথে বড় বাণিজ্য চুক্তি করতে যাচ্ছে ভারত

খবরে বলা হচ্ছে, ভারত ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হতে চলেছে। দেশটির সরকার আশা করে, চলতি দশকের মধ্যে যুক্তরাজ্য-ভারত বাণিজ্য দ্বিগুণ হবে। যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য সচিব অ্যান ম্যারি ট্রেভেলিয়ান ভারতের সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনাকে ‘সুবর্ণ সুযোগ’ বলে অভিহিত করেছেন।

বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান ইওয়াই-এর বাণিজ্য কৌশলের পরিচালক জর্জ রিডেল বলেছেন, আলোচনা শুরুর পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। এটি ইতোমধ্যেই ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রকৃত উৎসাহ তৈরি করছে।

ইইউ বছরের পর বছর ভারতের সাথে একটি অর্থপূর্ণ চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। তবে এ ব্যাপারে খুব বেশি সফলতা পায়নি তারা। অস্ট্রেলিয়াও এক দশক ধরে একটি চুক্তিতে ভারতের সাথে কাজ করছে। সরকারি ক্রয় নীতি এবং পরিষেবা বাণিজ্যের মতো ক্ষেত্রগুলো এক্ষেত্রে বিশেষভাবে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

uk india tradeবাণিজ্য চুক্তি হতে যাচ্ছে ভারত-যুক্তরাজ্যের মধ্যে

জর্জ রিডেল বলছেন, ভারত সর্বদা পেশাদার এবং ছাত্রদের বিদেশে কাজ এবং পড়াশোনা করার জন্য ভিসার বিষয়ে বড় দাবি করে আসছে। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বলছেন, উভয়পক্ষই এখন দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করতে আগ্রহী এবং তারা চায়, বছরের শেষদিকে এটা সম্পন্ন হোক। কিন্তু এটি একটি উচ্চাভিলাষী সময়রেখা।

খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাজ্যের আগ্রহের জায়গা হল ভারত একটি বড় দেশ। এর বিশাল জনসংখ্যা কাজে লাগতে চায় ব্রিটেন। এক্ষেত্রে চীন সীমাবদ্ধতার বাইরে, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র না বলে দিয়েছে। ব্রাজিলের মতো অন্যান্য বড় উদীয়মান অর্থনীতির সাথে আলোচনা করা ব্রিটেনের জন্য অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন।

অস্বস্তিকর বিষয় হল, ইইউ ত্যাগ করার পর যুক্তরাজ্য বাণিজ্য নীতিকে প্রায় গোড়া থেকেই পুনর্নির্মানের চেষ্টা করছে। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এখন দেশীয় অর্থনীতির ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করছে।

অক্সফোর্ডের ব্লাভাটনিক স্কুল অফ গভর্নমেন্টের পাবলিক পলিসির সহযোগী অধ্যাপক এমিলি জোনস বলছেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় বহুপাক্ষিক চুক্তিগুলো এখন গতিহীন। আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এখন জো বাইডেন প্রশাসনও নিজ দেশের কর্মীদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার কাজে মনোনিবেশ করেছে।