advertisement
আপনি পড়ছেন

অক্ষরের ব্যবধান খুব বেশি না। কেবল ‘ড়’ আর ‘ট’-এর উচ্চারণের তফাৎ। এটুকুর ব্যবধানে ট্রোলের ফাঁদে পড়ে গেলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রীতিমতো তিল থেকে তাল কাণ্ড! নেটদুনিয়ায় শুরু হয়ে যায় ট্রোল। তৈরি হল একের পর এক মিম।

beti bachaoভারত সরকারের ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্প

বিশ্ব অর্থনীতির ফোরামে ভার্চুয়াল বক্তৃতা দিচ্ছিলেন মোদি। সেখানে তিনি বলছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পের কথা। ‘বেটি পড়াও’ বলার জায়গায় মুখ ফসকে বের হয়ে যায় ‘বেটি পটাও’ শব্দটি। সমস্যার কথা হচ্ছে, এ শব্দেরও একটি অর্থ আছে, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নেতিবাচক।

অন্য কেউ হলে হয়তো বিষয়টি নিয়ে এত মাতামাতি হতো না। কিন্তু কথাটি যখন বের হলো প্রধানমন্ত্রী মোদির মুখ থেকে এবং দেশে নারীদের নিরাপত্তা পরিস্থিতি যথেষ্ট খারাপ সেখানে ‘ড়’ আর ‘ট’-এর উচ্চারণের তফাৎই অনেক বড় হয়ে উঠল।

modi 1নরেন্দ্র মোদি

দিন কয়েক আগেই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে টেলিপ্রম্পটার বিভ্রান্তিতে নাজেহাল হয়েছিলেন মোদি। এবারে তারই স্বপ্নের প্রকল্প ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ হয়ে গেল ‘বেটি পটাও’!

বক্তৃতার ওই অংশের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে ট্রোলের বন্যা। অনেকে কটাক্ষের সুরে লিখেছেন, এখন বিজেপির নয়া স্লোগান ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পটাও।’

আরেকজন লিখেছেন, ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পটাও’ এখন বিজেপির স্লোগান। ওই দলটির কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করি না।’