advertisement
আপনি পড়ছেন

বৈশ্বিক রাজনীতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটলেও ব্রিটেনে সরকার প্রধান হিসেবে রাজা-রানির বিষয়টি এখনও চলমান। কয়েক বছর আগে পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, দেশটির বেশিরভাগ জনগণই চান, রাজা-রানির ব্যাপারটি টিকে থাকুক, অব্যাহত থাকুক। তারা বিষয়টিকে ঐতিহ্যগত বলে উল্লেখ করেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় তেমন কোনো ভূমিকা না থাকলেও তাদের পেছনে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে ওই জরিপ পরিচালিত হয়েছিল।

elizabatwদুই প্রিন্সের সাথে রানি এলিজাবেথ

সম্প্রতি এই রাজ পরিবারেরই একটি চাঞ্চল্যকর খবর সামনে চলে আসলো। ঘটনাটি অবশ্য ২২-২৩ বছর আগের। ১৯৯৯ সালে টয়লেট নিয়ে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন দুই প্রিন্স। বিষয়টি জটিলতার দিকে মোড় নিলে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথকে সেই সমস্যার সমাধান দিতে হয়েছিল।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে দ্য সানকে সম্প্রতি এই অদ্ভুত ঘটনার কথা জানান রাজপরিবারের তৎকালীন পরিচারিকা জ্যানেট ম্যাকগাওয়ান। তিনি বলেন, রাজকীয় এক টয়লেট নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছিলেন প্রিন্স চার্লস ও প্রিন্স অ্যান্ড্রু। সে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি।

norfolk estateনরফোক এস্টেট

জ্যানেট বলেন, স্যান্ড্রিংহ্যামে একটি রাজকীয় টয়লেট বরাদ্দ ছিল যুবরাজ চার্লসের নামে। কিন্তু সেই টয়লেটটি অধিকার করে বসেন যুবরাজ অ্যান্ড্রু। পরিচারকদের নির্দেশ দেওয়া হয়, এ টয়লেটের কোনো জিনিসে যেন তারা হাত না দেয়। ভয়ে রাজকীয় ওই টয়লেটের ধার মাড়াননি পরিচারকরা। ওই সময় চার্লসের বয়স ছিল ৫১ এবং অ্যান্ড্রুর ৩৯।

জ্যানেট আরো জানান, নরফোক এস্টেটে রাজপরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য একটি করে টয়লেট বরাদ্দ থাকে। কিন্তু চার্লসের জন্য যেটা বরাদ্দ করা ছিল সেটাই দখল করে বসেন অ্যান্ড্রু। এ নিয়ে পরিস্থিতি গরম হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত মীমাংসা করেন রানি এলিজাবেথ। তিনি অ্যান্ড্রুকে বুঝিয়ে ঠাণ্ডা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জ্যানেট আরো বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে পূর্ণ অবগত থাকলেও ঠিক কী কারণে এ ঝামেলার সূত্রপাত হয়েছিল তা জানা যায়নি।