advertisement
আপনি পড়ছেন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ২০২০ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপর একই পথে হাঁটে বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো। এ ঘটনাকে আরবদের ‘পিঠে ছুরিকাঘাত’ আখ্যায়িত করে কড়া প্রতিবাদ জানায় ফিলিস্তিনসহ অন্যান্য মুসলিম দেশ।

yair lapid israelইয়াইর লাপিড, ফাইল ছবি

এবার আরও ৪টি মুসলিম দেশের সঙ্গে মার্কিন সমর্থিত আব্রাহাম একর্ড বা চুক্তি করার আশার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। সেইসঙ্গে সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা জোরদার হলেও তাতে সময় লাগবে বলে জানানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার এমন মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়াইর লাপিড।

রয়টার্স জানায়, ইসলাম ধর্মের জন্মভূমি খ্যাত সৌদি আরব আর বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া। ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় চাপ দেওয়া হলেও সে জন্য ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধানের শর্ত দিয়েছে দেশ দুটি। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দর কষাকষি চলছে।

usa uae israelআমিরাতি যুবরাজ আল নাহিয়া, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, ফাইল ছবি

এ বিষয়ে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন- আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কোর পাশাপাশি অন্য মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গেও চুক্তি করতে চায় তেল আবিব। আগামী দুই বছরের মধ্যে ছোট কিছু দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আশা করছি।

এ ক্ষেত্রে ইয়াইর লাপিড উল্লেখ করেন, সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো দেশের কথা বললে তা হবে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব তো অবশ্যই। দেশ দুটির সঙ্গে কূটনীতি চালু হতে বেশ সময় লাগবে।

এদিকে, আগামী ৩০-৩১ জানুয়ারি সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে প্রথম দেশ হিসেবে আমিরাত সফরে যাচ্ছেন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট আইজাক হেরজোগ। বিষয়টি তিনি নিজেই জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।