advertisement
আপনি পড়ছেন

অনেক অভিভাবকের অভিযোগ, লকডাউনে তাদের সন্তানরা মোবাইল-ইন্টারনেট হাতে পেয়ে বখে গেছে। কিন্তু আলি আমজাদ সুলতানের পিতার সে ধরনের কোনো অভিযোগ নেই বরং তিনি তার ছেলেকে নিয়ে গর্বিত। তার ছেলের করা ক্যালিগ্রাফি এখন দেশ পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও সমাদৃত হচ্ছে। মানুষকে মুগ্ধ করছে।

hadorabad boyক্যালিগ্রাফি আঁকছেন আলি আমজাদ সুলতান

ভারতের তেলেঙ্গনা প্রদেশের রাজধানী হায়দরাবাদের ১৩ বছর বয়সী শিশু আলি আমজাদ সুলতান। এই বয়সেই আরবি ক্যালিগ্রাফিতে হাত পাকিয়েছে সে। তার ক্যালিগ্রাফিতে মুগ্ধ হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। ফলে নামের সাথে অর্থ আসাও শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে দেশের বাইরে থেকেও তার কাছে ক্যালিগ্রাফির অর্ডার আসতে শুরু করেছে।

আলি আমজাদ সুলতান জানায়, করোনার গত দুই বছর মা-বাবার সাথে সে কাতারে কাটিয়েছে। এ সময় ইউটিউব দেখে রপ্ত করেছে আরবি ক্যালিগ্রাফির নানা বিষয়। সরাসরি কোনো শিক্ষক থেকে ক্যালিগ্রাফির কোনো কিছু শিখেনি বলে জানায় আলি আমজাদ। শিগগিরই পবিত্র কোরআনের ক্যালিগ্রাফি করবে বলে সংকল্প করেছে সে।

সে জানায়, এখন পর্যন্ত পবিত্র কোরআনের বেশ কিছু আয়াত এবং বেশ কয়েকটি হাদিসের ক্যালিগ্রাফি করেছে সে। তার শিল্পকর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সূরা ইয়াসিন, সূরা মুজাম্মিল, আয়াতুল কুরসি।

তার মামা মামুন আমের আলি খান জানান, আলি আমজাদ সুলতান শৈশব থেকেই কোরআন মাজিদ পড়া এবং লেখার চেষ্টা করত। লকডাউনকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে সে ক্যালিগ্রাফি আঁকতে শুরু করে।