advertisement
আপনি পড়ছেন

উজবেকিস্তানের সাথে ট্রান্স-আফগান রেলওয়ে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার চিন্তা করছে আফগানিস্তানের ইসলামিক আমিরাত সরকার। দেশটির ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি উজবেকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে এ ব্যাপারে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘রেল পরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। টোলো নিউজ, বাখতার নিউজ।

trans afghan railwayট্রান্স-আফগান রেলওয়ে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল কাহার বলখি টুইট করেছেন, বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য, ট্রানজিট এবং মাজার-কাবুল-পেশোয়ার রেলপথের উন্নয়ন করতে একমত। এজন্য শিগগির তারা কাজ শুরু করতে চায়। আফগানিস্তান রেলওয়ে বিভাগের প্রধান বখত-উর-রহমান শরাফাত বলেছেন, ট্রান্স-আফগান রেলপথ নির্মাণে অগ্রগতি হয়েছে এবং এর জরিপ এক মাসের মধ্যে শুরু হবে।

শরাফাত বলেন, জরিপের প্রযুক্তিগত দলগুলো চলতি মাসে তাদের কাজ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন বিভাগের পুরো চিন্তা এই বিষয়টি নিয়ে। এজন্য আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট (এসিসিআই) জানিয়েছে, আফগানিস্তানের মাধ্যমে মধ্য এশিয়াকে দক্ষিণ এশিয়ার সাথে সংযুক্ত করা আফগানিস্তানের বাণিজ্য সম্পর্কের বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এসিসিআই-এর ডেপুটি খাইরুদ্দিন মায়েল বলেন, তিনটি দেশেই রেলপথ থাকা তাদের রপ্তানি ও আমদানি বাণিজ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ট্রান্স-আফগান রেলওয়ে চালু হওয়ার সাথে সাথে বেশ কয়েকটি প্রদেশে দেশের নাগরিকদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি হবে।

অর্থ উপমন্ত্রী আবদুল লতিফ নাজারি বলেছেন, আফগানিস্তান-তুর্কমেনিস্তান-পাকিস্তান রেলপথ আফগানিস্তানকে একটি আঞ্চলিক কেন্দ্রে পরিণত করতে পারে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আফগানিস্তানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

আফগান রেলওয়ের একটি পরিকল্পনা অনুযায়ী, ট্রান্স-আফগান রেলওয়ে মাজার, সামাঙ্গন, পুল-ই-খুমরি, কাবুল, লোগার এবং জালালাবাদ অতিক্রম করবে এবং অবশেষে পাকিস্তানে পৌঁছাবে। প্রকল্পটি সুরক্ষিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং রেলওয়ের প্রযুক্তিগত টিমগুলো কাজ করবে।