advertisement
আপনি পড়ছেন

ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার ওপর শত শত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কিছু দেশ এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ভুমিকা পালন করেছে। তবে তুরস্ক বলছে, যদি কোনো নিষেধাজ্ঞা জাতিসংঘের মাধ্যমে আরোপ করা হয়, তাহলেই সেটা বৈধ হবে। খবর এএনআই।

putin and erdogan 2তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে আসছে

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের গণমাধ্যম বিভাগের প্রধান ইব্রাহিম কালিন গত সোমবার আঙ্কারায় এক বক্তব্যে এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার ওপর আরোপিত এসব নিষেধাজ্ঞা তুরস্কের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এগুলো অন্য কোনো রাষ্ট্র আরোপ করেছে। যদি জাতিসংঘ এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেয়, তাহলে সেটি গ্রহণযোগ্য হতে পারে। এর আগে নয়।

কালিন বলেন, ইউক্রেন সংকটের জন্য পশ্চিমের রুশ-বিরোধী নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেবে না তুরস্ক। আমরা রাশিয়ার বিষয়ে একটি সুষম নীতি পরিচালনা করছি। আমরা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছি না এবং তাদের সাথেও যোগ দেবো না। আমাদের নিজেদের স্বার্থের তাদের সাথে সম্পর্ক অব্যাহত রাখব। সবাই যদি তাদের সাথে যোগাযোগের সেতুগুলো নষ্ট করে ফেলে, তাহলে রাশিয়ার সাথে কে কথা বলবে?

putin and erdogan 2তুরস্কের প্রেসিডেন্টের গণমাধ্যম বিভাগের প্রধান ইব্রাহিম কালিন

তুরস্ক জ্বালানির জন্য অন্য দেশের উপর নির্ভরশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাশিয়ার সাথে আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্কটি এমন, নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার চেয়ে তুরস্কের অর্থনীতির বেশি ক্ষতি করবে। স্বভাবতই আমরা সেটা চাই না।

ন্যাটোতে যোগদানের ইস্যুকে কেন্দ্র করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এর প্রেক্ষিতে রাশিয়ার ওপর অনেক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী দেশগুলো বলছে, রাশিয়াকে সামরিক বাজেট কমাতে বাধ্য করার জন্যই দেশটির ওপর এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে, যাতে এ অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। তবে মস্কো বলছে, এ অভিযান বন্ধ হবে ইউক্রেন মস্কোর কিছু দাবি মেনে নিলেই। এর অন্যতম হচ্ছে, ইউক্রেন এই অঙ্গীকার করবে, তারা কখনো ন্যাটোর সাথে যুক্ত হবে না।