advertisement
আপনি পড়ছেন

জাতিসংঘ নিরপত্তা পরিষদের কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্র নিজেদের ক্ষীণ-দৃষ্টিসম্মত রাজনৈতিক এজেন্ডা পূরণে ভেটো ও অন্যান্য ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করছে বলে অভিযোগ এনেছেন ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মজিদ তখত রাভানচি। নিরাপত্তা পরিষদ সংস্কার নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভাপতির আনীত প্রস্তাবের ওপর উম্মুক্ত বিতর্কে তিনি এ কথা বলেন।

iran un tlsd জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মজিদ তখত রাভানচি

মজিদ রাভানচি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের চর্চাগুলো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কয়েকটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র জাতিসংঘের এই অঙ্গ-প্রতিষ্ঠানটির এখতিয়ার ও ক্ষমতার উপর্যুপরি অপব্যবহার করেছে। এ দেশগুলো নিজেদের সংকীর্ণ দৃষ্টির রাজনৈতিক এজেন্ডা পূরণে বিশেষত উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টির জন্য নিরাপত্তা পরিষদকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদকে নিজেদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের এমন চর্চা পরিষদের এখতিয়ার ও ক্ষমতার প্রতি অশ্রদ্ধার শামিল। এমন আচরণ জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের মৌলনীতির লঙ্ঘন শুধু নয় বরং নিরাপত্তা পরিষদের মর্যাদা ও কার্যকারিতাও ক্ষুন্ন করে।

un logoজাতিসংঘ

ইরানের এ কূটনীতিক বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো সময়ে সময়ে মূল্যায়ন করে সেগুলো স্থগিত অথবা প্রত্যাহার করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞাগুলো মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে গুরুতর বিরূপ প্রভাব ফেলছে, যা কোভিড প্রাদুর্ভাবের সময় বিশ্ববাসী দেখতে পেয়েছে। বেসামরিক নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও জীবন নিষেধাজ্ঞার কারণে হুমকির মুখে পড়েছে। তাছাড়া কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলে সেখানে আন্তর্জাতিক ও মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা পরিষদকে অবশ্যই সংঘাতের বিভিন্ন পর্যায়ে এসব নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা ও মানবিক কার্যক্রমে এগুলোর প্রভাব মূল্যায়ন করে প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা স্থগিত অথবা প্রত্যাহার করতে হবে।

নিরাপত্তা পরিষদের বাইরের রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পরিষদের মিথষ্ক্রিয়া ও যোগাযোগ বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়ে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, এজন্য সবার আগে পরিষদকে স্বচ্ছ, দক্ষ, বিধিসম্মত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে।