advertisement
আপনি পড়ছেন

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন থেকে ইরানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ কয়েকটি অভিযোগ তোলা হয়েছে। জার্মানির বাভারিয়ান আল্পসে তিন দিনের শীর্ষ সম্মেলন শেষে দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে একটি বিশাল বিবৃতি জারি করেছে। অভিযোগের মধ্যে ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ইউক্রেনীয় ফ্লাইট ৭৫২ তে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টিও রয়েছে। ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে সে বিষয়েও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন নেতারা। ২৬ থেকে ২৮ জুন এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। খবর ইরান ওয়্যার।

g7 cornwallজি-৭: ইরানকে পারমাণু অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না

জি-৭ দেশগুলো হচ্ছে- ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ বিবৃতিতে নেতারা প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানকে কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। তারা আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থাকে (আইএইএ) সহযোগিতা করার জন্য তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। .

বিবৃতিতে এই অঞ্চলে ইরানের অব্যাহত অস্থিতিশীল কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, আমরা ইরানকে সমস্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কার্যক্রম এবং বিস্তার বন্ধ করার আহ্বান জানাই। ইরানের হুমকি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে ব্যাহত করছে। ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সক্রিয় ও গঠনমূলক অবদান রাখতে হবে।

ইরানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর নিন্দা জানিয়েছে জি-৭ গ্রুপ। ইরানের মৃত্যুদণ্ড এবং বিদেশি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বিচারে গ্রেপ্তার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস ফ্লাইট ৭৫২ তে হামলা ছিল বেআইনি কাজ। ওই বিপর্যয়কর ঘটনায় ক্রুসহ ১৭৬ জন বেসামরিক লোক নিহত হয়।

ওই ফ্লাইটে নিহতদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক ইরানি ছাত্র এবং অভিবাসী ছিলেন, যারা বড়দিনের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে মোট ৫৫ জন কানাডার নাগরিক ও ৩০ জন স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। বিমানটিতে তিনজন ব্রিটিশ ও তিনজন জার্মান নাগরিকও ছিলেন।