advertisement
আপনি দেখছেন

বাবা- মেয়ের আত্মহত্যার মর্মান্তিক ঘটনাটির তদন্তের দায়িত্বভার নিয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। গত শনিবার গাজীপুরে এক ব্যক্তি মেয়ের শ্লীলতাহানীল বিচার না মেয়েসহ আত্মহত্যা করেন।

hrc will investigate death of ali

ওই পরিবারের অভিযোগ, পঞ্চম শ্রেনিতে পড়া মেয়ের শ্লীলতাহানীর জন্য তারা স্থানীয় মেম্বার এবং পুলিশের কাছে বিচার চেয়েছেন। কিন্তু বিচার করেননি। বরং তাদেরকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এই লাঞ্ছনা সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নেন হযরত আলী। তিনি মেয়েকে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাপ দেন।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক সোমবার ঘটনাস্থলে যান এবং ওই পরিবার ও আশপাশের লোকজনদের কথা শোনেন। তিনি জানিয়েছেন যে, নিহতের পরিবার যে অভিযোগ করেছে, তার প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।

জানা গেছে, নিহত হযরত আলী একজন দিনমজুর ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম হালিমা বেগম। তারা নিঃসন্তান ছিলেন। তারা মাত্র একদিন বয়সী একটি মেয়েকে দত্তক এনে পালন করছিলেন। আয়েশা আক্তার নামের সেই মেয়েই সম্প্রতি শ্লীলতাহানীর শিকার হয়।

এ দিকে, হযরত আলীর পরিবার যে মেম্বারের কাছে বিচার নিয়ে গিয়েছিলো তার নাম আবুল হোসেন। পুলিশ এরই মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে বিচার পাওয়ায় সহায়তা না করার যে অভিযোগ, পুলিশ তা স্বীকার করেনি।