advertisement
আপনি দেখছেন

ভিশন ২০৩০-এর ঘোষণায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, 'সংসদীয় সরকারের আবরণে প্রধানমন্ত্রীর একক নির্বাহী ক্ষমতা মূলত দেশে একনায়কতান্ত্রিক শাসনের জন্ম দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের সংবিধান সংশোধন করে প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা হবে। জাতীয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে যে বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক বিধান যুক্ত করা হয়েছে সেগুলো সংস্কার করা হবে।'

khaleda zia vission 203

১০ মে আজ বুধবার বিকালে রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন। বক্তব্যে বেগম জিয়া নতুন ধারার ও নতুন প্রজন্মের রাজনীতি এবং সরকার প্রতিষ্ঠ‍া করতে বিএনপির পরিকল্পনা তুলে ধরেন। 

খালেদা জিয়া বলেন, 'দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে বিএনপি। গণতন্ত্রের চেয়ে উন্নয়ন শ্রেয় এই ধারণার বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা এককভাবে কুক্ষিগত করার অপচেষ্টা জনগণকে নিয়ে প্রতিহত করবে বিএনপি। জাতীয় সংবিধানের বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক বিধানগুলো সংস্কার করা হবে।'

বিএনপি প্রধান বলেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অবশ্যই জাতীয় সংবিধান সংশোধন করে দেশে গণভোট ব্যবস্থার পুণরায় প্রবর্তন করা হবে। জাতীয় সংসদকে দেশের সব ধরনের কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা হবে। জাতীয় সংসদে উচ্চ কক্ষ প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হবে।'

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, 'বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনগণের হাতে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। দেশে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুণ:প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করবে বিএনপি।'

সাড়ে চারটায় শুরু হওয়া এই বক্তব্যে খালেদা প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশসহ সর্বক্ষেত্রে সংস্কার এনে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি করে জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটন, দারিদ্র্য বিমোচন, যুবকদের কর্মসংস্থানের অঙ্গীকার করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থসহ ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।