advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 59 মিনিট আগে

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রগতি সরণি সড়কে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলা সেই সু-প্রভাত বাসের চালক সিরাজুল ইসলাম সম্পর্কে বিভিন্ন রকম তথ্য জানা যাচ্ছে। জানা গেছে, তিনি নিয়মিত গাঁজা সেবন করতেন। গাঁজা ছাড়া তিনি গাড়ি চালাতেই পারেন না।

driver sirazul

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী সেই ঘাতক বাসচালকের বিরুদ্ধে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর তাকে আদালত থেকে হাজতে নেয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, মূলত গাঁজা খাওয়া ও সারা রাত না ঘুমিয়ে ভোর থেকে গাড়ি চালানোর কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

আদালত পাড়ায় গাড়ি চালক সিরাজুল গণমাধ্যমকে বলেন, 'আগের দিন সারারাত ঘুমাতে পারি নাই। সারা রাত না ঘুমানোর কারণে মাথা ঠিক ছিল না। প্রথমে বেখেয়ালে একটি মেয়েকে গাড়ি চাপা দেই। পরে পাবলিক থেকে বাঁচার জন্য আরো দ্রুত গাড়ি চালাই। এরপর বসুন্ধরার সামনে ওই ছেলে চাপা খায়। গাড়ির চাকা মাথার ওপর উঠে যায়। এরপরই ট্রাফিক পুলিশ আমাকে ধরে ফেলে।'

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, সুপ্রভাতের গাড়ি চালক সিরাজুল ইসলাম নিয়মিত গাঁজা সেবন করতেন। গাঁজা ছাড়া তিনি গাড়ি চালাতে পারেন না। বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী দায়েরকৃত মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২২ এপ্রিল মামলার দিন ধার্য করেছেন।

গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় বাদী অভিযোগ করেছেন, বাসটির চালক বেপরোয়া গতিতে বাড্ডা থেকে প্রগতি সরণির দিকে যাওয়ার পথে প্রথমে শাহাজাদপুরের বাঁশতলায় সিনথিয়া সুলতানা মুক্তাকে চাপা দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে নর্দ্দায় জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় আবরার আহাম্মেদ চৌধুরীকে চাপা দেয়। এতে বাস মাথার ওপর দিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই আবরার মারা যায়।

sheikh mujib 2020