advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 59 মিনিট আগে

হাজারো মানুষের ভালোবাসা আর স্বজন-সতীর্থদের চোখের জলে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি। বৃহস্পতিবার সোনাগাজী সাবের সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে তাকে চিরশায়িত করা হয়। জানাজায় অংশ নেয় হাজার হাজার মানুষ।

nusrat in crave

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সোনাগাজী আল হেলাল একাডেমির পাশে সামাজিক কবরস্থানে নুসরাতকে দাফন করা হয়। নুসরাতের বাবা,ভাই, স্বজন আর সহপাঠীদের কান্নায় কবরস্থানে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অশ্রসিক্ত নয়নেই তারা নুসরাতকে চিরবিদায় জানান।

নুসরাতের জানাজা নামাজ পড়ান নুসরাতের বাবা মাওলানা মুসা। পরে জানাজা উপস্থিত সকলের উদ্দেশে বক্তব্য দেন বড় ভাই নোমান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন নাসিম, জেলা প্রশাসক ওয়াহিদুজ্জামান, জেলার পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পিকেএম এনামুল করিম, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, ইউএনও সোহেল ফারভেজসহ আরো অনেকে।

ফেনীতে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে নুসরাতকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি পৌঁছে। সঙ্গে ছিলেন তার মা-বাবা ও ভাইয়েরা। এর আগে ঢামেক হাসপাতাল মর্গে নুসরাতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় যান নুসরাত। সেখানেই তাকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপর থেকে শিক্ষার্থীর পরিবার দাবি করছে, পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়ার পর বোরখা পরা চারজন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নেয়ার চাপ দেয়। পরে মামলা তুলতে ওই শিক্ষার্থী অস্বীকৃতি জানালে তারা আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এর আগে গত ২৭ মার্চ যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে আটক করে পুলিশ। মামলাটি করেছিল নিহত নুসরাতের মা।

sheikh mujib 2020