আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 58 মিনিট আগে

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী ও আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহানকে তার মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার শ্লীলতাহানির ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিলে এমন পরিণতি হতো না বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

nusrat jahan feni

গত ২৭ মার্চ অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা তার কক্ষে নুসরাতকে ডেকে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে আগেই থানায় মামলা করা হয়। যে মামলায় নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়ার আগে থেকেই কারাগারে আছেন অধ্যক্ষ।

আজ শুক্রবার দুপুরে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মানবাধিকার কমিশনের পরিচালক আল মাহমুদ ফায়জুল কবীর এ মন্তব্য করেন।

পূর্বপরিকল্পিতভাবে নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে মন্তব্য করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওই পরিচালক বলেন, ২৭ মার্চের ঘটনার সঙ্গে ৬ এপ্রিল নুসরাতের গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার যোগসূত্র রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় সোনাগাজী পৌঁছে মাদ্রাসায় যান ফায়জুল কবীর। সেখানে কয়েকজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এরপর যে স্থানে নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়া হয়, ওই স্থান এবং নুসরাতদের বাড়ি পরিদর্শন করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল নুসরাতকে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। গত বুধবার রাতে নুসরাত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।