advertisement
আপনি দেখছেন

নয় দফা দাবি আদায়ে রবিবার থেকে আবারও ধর্মঘট ও অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন পাটকল শ্রমিকেরা। খুলনা মহানগরীর খালিশপুর বিআইডিসি সড়কে শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত শ্রমিক সভা থেকে তৃতীয় দফা আন্দোলনের এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

patcall movement

বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগ ও রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল সিবিএ-নন সিবিএ পরিষদের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা এ কর্মসূচি খুলনাসহ সারাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬টি পাটকলের শ্রমিক পালন করবেন।

মজুরি কমিশন বাস্তবায়ন, সাপ্তাহিক মজুরি পরিশোধ, বদলি শ্রমিক স্থায়ীকরণ, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের পিএফ এবং গ্রাচ্যুইটিসহ নয় দফা দাবিতে ডাক দেয়া কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- রবিবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল এবং ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ৯৬ ঘণ্টা মিলের উৎপাদন বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন। পাশাপাশি প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত রাজপথ-রেলপথ অবরোধ।

এক সপ্তাহ বিরতি দিয়ে ২৫ এপ্রিল প্রত্যেক মিলে শ্রমিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ২৭ থেকে ২৯ এপ্রিল ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘটের পাশপাশি প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ করা হবে। বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হবে।

শ্রমিক সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগের খুলনা-যশোর অঞ্চলের আহ্বায়ক ও খুলনার ক্রিসেন্ট জুট মিলের সিবিএ সভাপতি মুরাদ হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগের সভাপতি সরদার মোতাহার উদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান চুন্নু।

মুরাদ হোসেন বলেন, ৬ এপ্রিল ঢাকায় বিজেএমসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে শ্রমিক লীগ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফা বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ায় বিকালে আবারও বিজেএমসির চেয়ারম্যানসহ অন্যদের নিয়ে ছোট পরিসরে বৈঠক করা হয়। কিন্তু সেখানেও দাবি মেনে নেয়ার কোনো সিদ্ধান্ত তারা দিতে পারেননি। সরকার টাকা দিলে শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি দেয়া হবে বলে জানান কর্মকর্তারা। কিন্তু কবে নাগাদ ওই টাকা পাওয়া যাবে তা নিশ্চিত নয়।