advertisement
আপনি দেখছেন

বরিশাল সিটি মেয়র প্রার্থী বাসদ নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর বাবা অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তী ছিলেন ভাতাপ্রাপ্ত গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা। অথচ সদ্যঘোষিত রাজাকারের তালিকায় তার নাম রয়েছে ৬৩ নম্বরে।

dr moisha chakrabarti copyবাসদ নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী

এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সোমবার ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোষ্ট দিয়েছেন। ঘটনাটিকে নিজের ‘রাজনীতির খেসারত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ করার পুরস্কার পেলাম আজ। ধন্যবাদ আওয়ামী লীগকে। সদ্য প্রকাশিত রাজাকারদের গেজেটে আমার বাবা এবং ঠাকুমার নাম প্রকাশিত হয়েছে।’

‘আমার বাবা এড. তপন কুমার চক্রবর্তী একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা, ক্রমিক নং ১১২ পৃষ্ঠা ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতাও পেয়ে থাকেন। আজ রাজাকারের তালিকায় তিনি ৬৩ নাম্বার রাজাকার!’

বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) নেত্রী বলেন, ‘আমার ঠাকুরদা এড সুধির কুমার চক্রবর্ত্তীকে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। তিনিও ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর সহধর্মিণী আমার ঠাকুমা উষা রানী চক্রবর্ত্তীকে রাজাকারের তালিকায় ৪৫ নাম্বারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল বাসদের আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুমন বলেন, ডা. মনীষার গোটা পরিবার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতেই তাদের নাম রাজাকারের তালিকায় দেয়া হয়েছে।