advertisement
আপনি দেখছেন

রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধানে ও তাদের রাখাইনে নিরাপদে, মর্যাদাপূর্ণ, ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছেন এশিয়া-ইউরোপ মিটিংয়ের (আসেম) সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রীরা।

rohingya crisis bangladeshরোহিঙ্গা সংকট

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র মতে, তারা এ বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ব্যাপারেও জোর দিয়েছেন।

স্পেনের মাদ্রিদে সোমবার অনুষ্ঠিত আসেমের ১৪তম পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সভায় বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম শাহরিয়ার আলম।

রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিতের জন্য বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয় বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টির ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।

সভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের পরে নিজ দেশ থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নেয়া মানবিক অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত নির্যাতনের জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতে এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য সে দেশে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ দেয়া দরকার।

rohingya peopleরোহিঙ্গা সংকট

এশিয়া ও ইউরোপের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী লিঙ্গ-সমতা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন।

আসেম এফএমএম ১৪-এর পাশাপাশি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আয়ারল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রাশিয়ান ফেডারেশনের পররাষ্ট্র উপ-মন্ত্রী, স্পেনের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী এবং চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলোতে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার তাদের সঙ্গে অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বাড়াতে সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং আসেম সদস্য রাষ্ট্রসমূহের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে আসেম সদস্য রাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রীদের সভা ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইউএনবি।