advertisement
আপনি দেখছেন

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অবিলম্বে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তি দিতে হবে। সরকারকে তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য একদিন জবাবদিহি করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

mirza fakhrul bnp human chain

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যুৎ ও পানির মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

এই পুতুল সরকার দিয়ে জনগণের কোনো আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বর্তমন সরকার হলো লুটেরা সরকার। তারা ব্যর্থ এবং জবরদখলকারী। আওয়ামী লীগ দেউলিয়া হয়ে গেছে। সেজন্যই তারা আগের রাতেই পুলিশ ও প্রশাসন ব্যবহার করে ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। অথচ কুইক রেন্টালের নামে সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছে। পানির মূল্য বৃদ্ধি করেছে। যে পানি মুখে দেয়া যায় না। এভাবে পেঁয়াজ, লবণ, চালের দামসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে জনগণকে অসহায়ত্বের মধ্যে ফেলে দিয়েছে সরকার। এসব জনগণ কখনোই মেনে নেবেন না। জনগণের কাছে সরকারকে একদিন অবশ্যই জবাব দিতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গণতন্ত্রের আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কারাগারে বন্দি রেখেছে অবৈধ আওয়ামী লীগ সরকার। তার চিকিৎসা ও জামিন নিয়ে ছিনিমিনি চলছে।’

সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল।

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সেক্রেটারি কাজী আবুল বাশার, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, যুবদলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল প্রমুখ।