advertisement
আপনি দেখছেন

যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বের আরো কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের কাছে জরুরি সুরক্ষা সামগ্রী চাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) সামগ্রী গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে পিপিইগুলো প্রদান করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)।

foreign minister momen 25 03 2020পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন- সংগৃহীত

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার চীন থেকে ১০ হাজার করোনা টেস্ট কিট, ১০ হাজার পিপিই এবং ১ হাজার ইনফ্রারেড থার্মোমিটার দেশে আসবে। এর দুইদিন পর আগামী রোববার আসবে ৩০ হাজার এন-৯৫ মাস্ক। এ ছাড়া ভারত সরকার ইতোমধ্যে বেশকিছু এন-৯৫ মাস্ক দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের এমন পরিস্থিতিতে বেসরকারি খাতগুলো যেভাবে এগিয়ে এসেছে, সেটা আমাদের একটি বড় সক্ষমতা। যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, নেপাল, ভূটান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের কাছে সুরক্ষা সামগ্রীর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে এবং জানতে চেয়েছে আমরা এগুলো সাপ্লাই করতে পারবো কি না? কারণ সেসব দেশে এসব সুরক্ষা সামগ্রীর সংকট রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা এসব সুরক্ষা সামগ্রী সাপ্লাই করতে পারবেন। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন প্রায় ৬ লাখের মতো মাস্ক তৈরি করছে। আগে যেখানে ১২ হাজারের মতো পিপিই তৈরি করা হতো, সেখানে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ৫ লাখ করে পিপিই তৈরি করা হবে। দেশের এ সক্ষমতা এবং ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসার এ মনোভাবের জন্যই যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ আমাদের কাছে সুরক্ষা সামগ্রী চাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে তাদের এগুলো সাপ্লাই দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।