advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের দিক দিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রাজধানীর মিরপুর ও পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ জেলা। এ ছাড়া ঢাকার বাসাবো, মাদারীপুর ও গাইবান্ধাও সর্বোচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। দেশে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী পাওয়া গেছে এই অঞ্চলগুলোতেই।

corona virus 1প্রতীকী ছবি

আজ রোববার করোনার পরিস্থিতি নিয়ে অনলাইনে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

তিনি বলেন, রাজধানীর মিরপুর ও বাসাবো এলাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সবেচেয়ে বেশি। এর মধ্যে শুধু মিরপুরে আক্রান্ত ১১ জন এবং বাসাবোতে ৯ জন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ জন।

নতুন যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের সবাই ক্লাস্টারের (একজন রোগীকে কেন্দ্র করে তার পরিবারের সবার আক্রান্ত হওয়া) অংশ। অর্থাৎ অন্য রোগীর সংস্পর্শে এসে তারা সংক্রমিত হয়েছেন।

আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, মিরপুরের টোলারবাগে প্রথম যে করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল, সেখানে আরো ৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে শুধু মিরপুরেই ১১ জন করোনায় আক্রান্ত হলো।

তিনি বলেন, রাজধানীর বাসাবোতে এখন পর্যন্ত ৯ জনের শরীরে কোভিড-১৯ শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে ১১ জন করোনা রোগী পাওয়া গেছে। এরা সবাই অন্যের সংস্পর্শে এসে সংক্রমিত হয়েছেন। এমন ক্লাস্টার মাদারীপুর ও গাইবান্ধাতেও পাওয়া গেছে।

iedcr dhaka bangladesh

এসব এলাকায় রোগীর সংস্পর্শে যারা এসেছেন, তাদের সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি যাদের মধ্যে মৃদু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তাদেরও নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেন তাদের মাধ্যমে এ ভাইরাস অন্য কারো শরীরে ছড়িয়ে না পড়ে, যোগ করেন মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের মোট ১৪টি কেন্দ্রে ৩৬৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৮ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। যার ১৩টি শনাক্ত করে আইইডিসিআর। বাকি ৫টি শনাক্ত করে অন্যান্য হাসপাতাল।

নতুন যে ১৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্যে ১২ জন ঢাকার, নারায়ণগঞ্জের ৫ ও মাদারীপুরের একজন। যিনি মারা গেছেন তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ। বয়স ৫০ বছর। এ ছাড়া চিকিৎসাধীন ৪৬ জনের মধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩৩ জন। বাকি ১৪ জনকে নিজ বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আর সুস্থ হয়েছেন ৩০ জন।