advertisement
আপনি দেখছেন

বিদ্যুতের বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির অন্ত নেই। করোনাকালে এই বিল যেন নতুন বিপদ নিয়ে হাজির হয়েছে। সাধারণ মানুষ তো বটেই, ভুতুড়ে বিলের বিড়ম্বনা থেকে রেহাই পাননি একজন সিনিয়র সচিবও। অস্বাভাবিক বিল নিয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ ঝেড়েছেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম।

electricity bill abnormal

করোনাকালে মানুষ এমনিতেই অভাবে আছে। মরার ওপর খাড়ার ঘায়ের মতো এসেছে বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল। জুন মাসের শেষ তারিখ পর্যন্ত বিল পরিশোধ না করলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার হুমকির কারণে অনেকেই অস্বাভাবিক বিল জমা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরের মাসে এসব অস্বাভাবিক বিল সমন্বয় করে দেবেন বলে কথা দিলেও তাতে আস্থা রাখতে পারছে না গ্রাহকরা।

আগের অস্বাভাবিক বিল পরের মাসে ঠিক করে দেওয়া হয় না, তার প্রমাণ সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, বিদ্যুত বিভাগ স্রেফ অত্যাচার করছে মানুষের ওপর। অস্বাভাবিক বিল সমন্বয় করে দেওয়ার কথা বললেও তা দিচ্ছে না, যার প্রমাণ আমি নিজেই। মার্চ-এপ্রিলের এমন ভুতুড়ে বিল দেখে ফোন দিলাম মিটার রিডারকে। সে বলল, করোনার জন্য মিটার রিডিং করতে পারেনি, পরের মাসে ঠিক করে দেবে। কিন্তু মে মাসসহ তিন মাসের বিলের কাগজ দিয়ে যাওয়ার পর দেখা গেল, সমন্বয় করা হয়নি।

electricity generation

তিনি আরো বলেন, মার্চ-এপ্রিল-মে যোগ করলে সর্বমোট বিল হয় ৫০৯০ দশমিক ৩৭ টাকা। কিন্তু তারা আমাকে বিল ধরিয়ে দিল ৭৪৭৫ টাকার। অতিরিক্ত বিল আসল ২৩৮৪ দশমিক ৬৩ টাকা। আমি একা নই, যে বিল্ডিংয়ে থাকি সেখানকার আরো ১১টি মিটারে এমন আজগুবি বিল তুলে দেওয়া হয়েছে।

sheikh mujib 2020