advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে করোনার সংক্রমণ তো বাড়ছেই, তবে দুদিন আগে এক লাফে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। গত এক মাস ধরে যেখানে প্রতিদিন ৩০ জনের কিছু বেশি মৃত্যুবরণ করতেন, সেখানে হঠাৎ করে একদিনে ৬৪ প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন- নানা অব্যবস্থাপনা, অবহেলা আর সিদ্ধান্তহীনতার কারণে বেঘোরে মানুষ মারা যাচ্ছে। তবে এখনও সময় আছে, ৩টি কাজ করতে পারলে মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব।

friday update

পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা

করোনা সংক্রমণের পর দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার সংকট উৎকটভাবে বেরিয়ে এসেছে। হাসপাতালে সিট খালি নেই, সিট থাকলে অক্সিজেন নেই, আইসিইউর বেড খালি নেই- এসব সংকটের ঘটনা এখন নিত্যদিনের। হাসপাতালের বারান্দায় মৃত্যুবরণ করা লোকের সংখ্যাও কম নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টার পাশাপাশি পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারলে মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব।

দ্রুত লকডাউন

করোনার প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে দীর্ঘদিন দেশে সাধারণ ছুটি থাকলেও সংক্রমণ ঠেকাতে সেটা কোনো কাজে আসেনি। তারপর দেশকে তিনভাগে ভাগ করে লকডাউনের কথা বলা হলেও তা কার্যকর করা হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমিত এলাকায় লকডাউন আরোপ করে অন্য যে কোনো ব্যবস্থাই নেওয়া হোক না কেন, সংক্রমণ কিংবা মৃত্যু কোনোটাই ঠেকানো যাবে না। এখনো সময় আছে, কড়াকড়ি লকডাউন আরোপ করে সংক্রমণের পাশাপাশি মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব।

lock down dhaka

প্রবীণদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

করোনায় তরুণরা বেশি আক্রান্ত হলেও মৃত্যুবরণ করা রোগীদের সিংগভাগই প্রবীণ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ কোভিড শনাক্ত হওয়া প্রবীণদের জন্য বিশেষ পরিচর্যার ব্যবস্থা করেছে। কারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দূর্বল হওয়ায় ভাইরাস তাকে খুব সহজেই কাবু করতে পারে। এই বিষয়টাকে বিশেষভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রবীণদের মৃত্যুর মিছিল যদি বন্ধ করা যায় তবে মোট মৃত্যুও নেমে আসবে শূন্যের কাছাকাছি।

sheikh mujib 2020