advertisement
আপনি দেখছেন

মরণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) মহাপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা খালেদ আখতার। আজ শনিবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে, ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যান খালেদ আখতার।

aminul islam and khaled akhterবগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) মহাপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম এবং জাপা নেতা খালেদ আখতার (ডানে)

বগুড়া আরডিএ’র অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা সুফিয়া নাজিম মো. আমিনুল ইসলামের মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আমিনুল ইসলামের করোনা ধরা পড়ে গত ২৩ জুন। এর পর প্রথমে তিনি বাংলোতেই আইসোলেশনে ছিলেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২৯ জুন তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

বিসিএস অষ্টম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন আমিনুল ইসলাম। তিনি নাটোর সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক এবং অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্বেও ছিলেন আমিনুল।

coronaকরোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি

অন্যদিকে, সাবেক সামরিক কর্মকর্তা খালেদ আখতার শনিবার সকালে সিএমইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় পার্টির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এম এ রাজ্জাক খান। আজ সকালে তিনি বলেন, ‘মাস খানেক আগেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন মেজর খালেদ আখতার।’

তিনি আরো বলেন, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।

খালেদ আখতার সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের সম্পত্তি দেখভালে গঠিত ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ছিলেন। তাছাড়া সম্পর্কে এরশাদের ভাতিজা তিনি। এরশাদের ফুপাতো ভাই সাফায়েত হোসেনের ছেলে তিনি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অনার্স পড়া অবস্থায় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন খালেদ আখতার। পরে ১৯৮৬ সালে চাকরি ছেড়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। প্রথমে দলীয় চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবং পরে দলের কোষাধ্যক্ষ হন। এর পর জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন তিনি।

sheikh mujib 2020