advertisement
আপনি দেখছেন

সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই পাশ হতে যাচ্ছে 'আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) (দ্বিতীয় পর্যায়)' নামের একটি বড় প্রকল্প। ১ হাজার ৮০৯ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

planning commission

যদিও সম্প্রতি পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছিলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়া যেন কোনো প্রকল্প গ্রহণ না করা হয়। তাছাড়া বিধি অনুযায়ীও এ ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবুও এ ধরনের কার্যক্রম চলছেই।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হতে পারে। সরকারি অর্থায়নে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) উদ্যোগে প্রকল্পটি চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে তারাই বাস্তবায়ন করবে।

প্রকল্পের আওতায়- ডাটা সেন্টার ও ডিজাস্টার রিকভারি সাইটের বিদ্যমান সার্ভারকে অধিকতর দক্ষতাসম্পন্ন নতুন সার্ভারের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ, ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব নাগরিককে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করে ইসিকে সহায়তা, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাকে সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান জাতীয় পরিচয়পত্র শনাক্তকারী ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ ও বিস্তৃত, ইসির কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়গুলোতে ছবিসহ ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচিতি সেবা বাস্তবায়নের উপযোগী আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং জনবান্ধব জাতীয় পরিচিতি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।

ec logo

প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় পরিকল্পনা কমিশন বলেছে, ভবিষ্যতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের এই রুটিন কার্যক্রম প্রকল্পের মাধ্যমে না করে রাজস্ব খাত থেকে বাস্তবায়ন করতে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

প্রকল্পের যৌক্তিকতার ব্যাপারে ইসির বক্তব্য হলো- ২০০৭-২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য প্রায় ৮ দশমিক ৫ কোটি ভোটারের ডেমোগ্রাফিক ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করে যে তথ্যভাণ্ডার গড়া হয়েছিল সেটির মাধ্যমে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রস্তুত এবং নিবন্ধিত সব ভোটারকে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন- ২০১০ প্রণয়নের মাধ্যমে ইসিকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত কার্যক্রমের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য কমিশন ২০১১ সালে ৭১ জনবল বিশিষ্ট জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অণুবিভাগ চালু করেছিল।

প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন জানায়, প্রিপারেশন অব ইলেক্টোরাল রোল উইথ ফটোগ্রাফ অ্যান্ড ফ্যাসিলিটেটিং দ্য ইন্স্যুরেন্স অব ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড এবং আইডিইএ প্রকল্প থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও লব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে সমজাতীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি এসব কার্যক্রমের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণও করা হবে। তাই আলাদাভাবে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজন নেই।

sheikh mujib 2020