advertisement
আপনি দেখছেন

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ শীর্ষ ৩০ নেতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তার করা হবে কি না, করলে কবে নাগাদ হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

hefazat e islam mamunulহেফাজত নেতাদের ব্রিফিং, ফাইল ছবি

সম্প্রতি মোদিবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘নাশকতা ও হতাহতের’ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে হেফাজতের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের নামে বেশ কয়েকটি মামলও হয়েছে থানায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নাশকতায় জড়িত থাকা এবং এর নির্দেশদাতা হিসেবে হেফাজতের ৩০ নেতা অভিযুক্ত। তাদের নজরদারিতে রেখে এ সংক্রান্ত তদন্ত চলছে, দোষী প্রমাণিত হলে গ্রেপ্তার করা হবে।

পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার কথা জানিয়ে তারা জানান, জড়িতরা কবে গ্রেপ্তার হবেন, তা তদন্ত শেষে বলা যাবে। এ বিষয়ে এখন এর চেয়ে বেশি কিছু নয়, সময় হলেই বিস্তারিত জানা যাবে।

mamunul hefazat dhakaবায়তুল মোকাররমে বক্তব্য দিচ্ছেন মাওলানা মামুনুল হক, ফাইল ছবি

জানা গেছে, বায়তুল মোকাররমের ঘটনায় পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা হয়েছে। এতে মাওলানা মামুনুল হকসহ হেফাজতের শীর্ষ ১৭ নেতাকে আসামি করা হয়।

এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় এক ডজনের বেশি মামলা হয়েছে, যাতে হেফাজত নেতাদের আসামি করা হয়েছে। সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ঘটনায় তিনটি মামলা হয়েছে, যার একটির প্রধান আসামি মামুনুল হক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সারাদেশে নাশকতার ঘটনায় হেফাজতের শীর্ষ ৩০ নেতার নামের তালিকা তৈরি করে তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশ দপ্তরে আলোচনা হয়েছে।

এরপর বিষয়টি গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে তোলা হলে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছে সূত্র। এতে গ্রেপ্তার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে নানা বিষয় তুলে ধরেন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা।

hefazat e islam 1হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের লোগো

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নুরুল ইসলামের কাছে। তিনি বলেন, পল্টন থানায় দায়ের হওয়া মামলাটির তদন্ত কাজ চলছে। ঘটনার সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নজরদারিতে থাকা হেফাজতের অন্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী, মাজেদুর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়্যুবী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা লোকমান হাকিম, মাওলানা মাসুদুল করিম, মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী, মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী, নাসির উদ্দিন মনির, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, মাওলানা মুশতাকুন্নবী, মাওলানা হাফেজ মো. জোবায়ের এবং মাওলানা হাফেজ মো. তৈয়ব প্রমুখ।