advertisement
আপনি দেখছেন

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত বিতর্কিত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীর রাজধানীর গুলশান থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায়ও জামিন পেয়েছেন। এর আগে অন্যান্য মামলা থেকেও মুক্তি পান তিনি। এর ফলে আলোচিত এই নেত্রীর মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

helena jahangir awami leagueহেলেনা জাহাঙ্গীর, ফাইল ছবি

ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর ছিদ্দিক আজ বুধবার, ২৪ নভেম্বর, হেলেনা জাহাঙ্গীরের জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে চলতি বছরের ২৯ জুলাই র্যা ব সদস্যরা গুলশান-২ নম্বরের ৩৬ নম্বর রোডে অবস্থিত হেলেনা জাহাঙ্গীরের বাসায় অভিযান চালায়। ওই সময় তাকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তার বাসা থেকে মাদকদ্রব্যসহ অন্যান্য অবৈধ জিনিস উদ্ধারের দাবি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এরপর একই দিন র্যা ব-১ এর সিপিও মজিবুর রহমান তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯/৩১ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয় যে, তিনি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংস্থার বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন। পরে ওই মামলায় হেলেনা জাহাঙ্গীরের দুই দফায় ৩ দিন করে ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

অপরদিকে, রাজধানীর পল্লবী থানায় চাঁদাবাজি ও টেলিযোগাযোগ আইনে এবং গুলশান থানায় মাদক আইনে হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরো ৩টি মামলা করা হয়। এ ছাড়া আরেকটি মামলা দায়ের করা হয় বিশেষ ক্ষমতা আইন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনসহ চারটি ধারায়।

এর আগেই গুলশানের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা ব্যতীত বাকি সব মামলায় জামিন পান তিনি। আর সবশেষ আজ বুধবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন পেলেন তিনি।

গ্রেপ্তারের আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী চাকরিজীবী লীগ নামে একটি সংগঠনের পোস্টার ছড়িয়ে পড়ে। এতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হেলেনা জাহাঙ্গীর এবং মাহবুব মনিরকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করা হয়। কথিত এই সংগঠনের নামে দেশে-বিদেশে শাখা খুলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠে। এরপরই মূলত আলোচনায় আসেন তিনি।