advertisement
আপনি পড়ছেন

টানা ৫ দিন পুঁজিবাজারে দরপতনের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএসইর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার বাজার মূলধন হাওয়া হয়ে গেছে। গত সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ার বাজারে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এমনকি বৃহস্পতিবার ডিএসইর লেনদেন গত ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে।

dse logoঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিএসই

ওই দিন ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৬৫ পয়েন্ট, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, সিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ২২১ পয়েন্ট। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, বিএসইসির মুখোমুখি অবস্থান নেয়ায় এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এতে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করায় সোনালী ব্যাংককে জরিমানা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ঘটনায় আতঙ্কে ব্যাংকের শেয়ার বিক্রির হিড়িক পড়ে যায়। ফলে শেয়ার বাজারে সপ্তাহজুড়ে দরপতন হওয়া ডিএসই বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা।

cse logoচট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ, সিএসই

পুঁজিবাজারের তথ্য অনুযায়ী, আগের দুই সপ্তাহে বাজার মূলধন সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গিয়েছিল, তার চেয়েও বেশি কমেছে এক সপ্তাহে। সেইসঙ্গে কমেছে সকল মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণ। বৃহস্পতিবার ডিএসইর বাজার মূলধন হয় ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯৭ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের একই সময়ে ছিল ৫ লাখ ৬১ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহে এই পরিমাণ কমেছে ১৪ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা।

এ ছাড়া গত সপ্তাহে ডিএসইতে শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়া প্রতিষ্ঠানের চেয়ে কমেছে অনেক বেশি। লেনদেনে অংশ নেয়া ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে ৩১৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ২৩৯ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৯৫ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট।

ডিএসইতে গত সপ্তাহের প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ২৬১ কোটি ২৫ লাখ টাকা লেনদেন হয়, আগের সপ্তাহে ছিল ১ হাজার ৩৯৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এই হিসাব বলছে, ১৩৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা বা ৯ দশমিক ৮২ শতাংশ কমেছে প্রতি কার্যদিবসে। শেষ সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬ হাজার ৩০৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৬ হাজার ৯৯২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এখানে ৬৮৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কমেছে।